
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুর পুলিশ তাদের দেশের আদালতে জানিয়েছে যে, ঘটনার দিন জুবিন গর্গে ল্যাজারুস দ্বীপের কাছে জলে নেমেছিলেন লাইফ জ্যাকেট ছাড়া এবং ডুবে যান। আইনত একজনের শরীরে যতটা অ্যালকোহল থাকার কথা, সেই মাত্রার তুলনায় অন্তত চারগুণ বেশি অ্যালকোহল ছিল গায়কের শরীরে। এর পাশাপাশি জুবিনের শরীরে হাইপারটেনশন এবং এপিলেপসি অর্থাৎ উচ্চ রক্ত চাপ এবং মৃগীর ওষুধের সন্ধানও পাওয়া গিয়েছিল টক্সিকোলজি পরীক্ষার রিপোর্টে। কিন্তু আর কোনও ওষুধের হদিশ পাওয়া যায়নি।
গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে সিঙ্গাপুরে শো করতে গিয়ে মারা যান জুবিন গর্গ। নর্থ-ইস্ট ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার আগের দিনই মৃত্যু হয় তাঁর। গত ১৯ সেপ্টেম্বর মাত্র ৫২ বছর বয়সে প্রয়াত হন জুবিন গর্গ। উত্তর-পূর্ব ভারতের বিশেষ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়েছিল সিঙ্গাপুরে। সেখানে অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন জুবিন। পারফরম্যান্সের মাত্র একদিন আগেই মৃত্যু হয় তাঁর। ইয়টে পার্টি করতে গিয়েছিলেন গায়ক। তারপরেই সব শেষ।
জুবিন গর্গের মৃত্যুর তদন্ত করে কী বলেছে সিঙ্গাপুর পুলিশ
তদন্তকারী আধিকারিক সিঙ্গাপুরের আদালতে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার দিন প্রথমবার সাঁতার কাটতে নামার সময় জুবিন লাইফ জ্যাকেট খুলে দিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর ইয়টে ফিরে আসেন গায়ক। তিনি জানান তাঁর ক্লান্তি লাগছে। পরে ফের সাঁতার কাটতে যাবেন বলে ঠিক করেন জুবিন। সেই সময় আগের তুলনায় ছোট একটি লাইফ জ্যাকেট পরতে বলা হয় তাঁকে। তবে গায়ক তা পরতে চাননি। লাইফ জ্যাকেট ছাড়া একাই জলে নেমে ল্যাজারুস দ্বীপের দিকে সাঁতার কাটতে শুরু করেন জুবিন।
চ্যানেল নিউজ এশিয়ার প্রতিবেদন সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে যে প্রথমে লাইফ জ্যাকেট পরে থাকলেও পরে জুবিন তা খুলে দেন এবং দ্বিতীয়বার তাঁকে লাইফ জ্যাকেট দেওয়া হলে, তিনি তা পরতে চাননি। সিঙ্গাপুরের আদালত এও জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় ‘মারাত্মক নেশাগ্রস্ত’ অবস্থায় ছিলেন জুবিন।
(Feed Source: abplive.com)
