
এই কথা এখন প্রত্যেকেই জানেন যে, ‘দ্য আইডিয়াল স্কুল ফর ডেফ’-এর দায়িত্ব নিয়েছেন ঋতাভরী চক্রবর্তী আর তাঁর মা শতরূপা। ঋতাভরী দুর্গাপুজো থেকে শুরু করে দোলযাত্রা এমনকি নিজের জন্মদিন ও পালন করেন এই স্কুলের বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের সঙ্গে। আর আজ, ‘দ্য আইডিয়াল স্কুল ফর ডেফ’-এর প্রজাতন্ত্র দিবস পালনের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন স্বয়ং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এদিন ছোটদের সঙ্গে মিলে পতাকা উত্তোলন করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন ঋতাভরী চক্রবর্তী ও। সারা দিনটা ছোটদের সঙ্গেই কাটান প্রসেনজিৎ। খুদেরাও খুব খুশি প্রিয় ‘বুম্বাদা’-কে তাঁদের মধ্যে পেয়ে।
যাবতীয় ভিডিও আর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নিয়েছেন ঋতাভরী। সঙ্গে লিখেছেন, ‘পদ্মশ্রী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় আজ আমাদের ‘দ্য আইডিয়াল স্কুল ফর ডেফ’-এ। বুম্বাদাকে অনেক ভালবাসা। তোমায় অনেক অনেক শুভেচ্ছা। তুমি সবসময় আমাদের প্রেরণা।’
জাতীয় পুরস্কার জয়ের পরে, এবিপি লাইভ বাংলাকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলছেন, ‘সারা ভারতবর্ষে আজ মানুষ কাকাবাবু আর সন্তুকে দেখতে প্রেক্ষাগৃহে ভিড় জমিয়েছেন। সেই সময়েই, যখন আমি আমার দর্শকদের কাছে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ খবর পেলাম.. ভারত সরকারের কাছ থেকে, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে আমরা যে সম্মান পাই, সেই পদ্মশ্রীর যোগ্য মনে করা হয়েছে আমায়। আজকে সেটা অফিসিয়ালি ঘোষণা করা হয়েছে। খবরটা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছি। সরকারকে অনেক ধন্যবাদ। রাষ্ট্রপতির হাত থেকে এই পুরস্কার নেব। এই পুরস্কার আমার একার নয়। গত ৪০ বছর ধরে যাঁরা আমায় নিয়ে কাজ করেছেন.. আমার পরিচালকেরা, আমার প্রযোজকেরা, আমার সহ অভিনেতা অভিনেত্রীরা, আমার টেকনিশিয়ান্স বন্ধুরা, আমার নায়িকারা, আমার সঙ্গীত পরিচালকেরা.. এঁরা সবাই মিলে আমায় তৈরি করেছেন। আমার ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন। আমি তাই ঠিক করে কাজ করার চেষ্টা করে গিয়েছি। এত বছর ধরে কাজ করে আমি একা এই সম্মানটা পাইনি। যাঁরা আমার সঙ্গে এত বছর ধরে থেকেছেন, তাঁদেরও সম্মান। তাঁরা না থাকলে আমি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় হতে পারতাম না।’
(Feed Source: abplive.com)
