
আজ সকালে দেশব্যাপী বিক্ষোভকারীরা শহিদ মিনারে জড়ো হয়ে যমুনার দিকে মিছিল করে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে অবিলম্বে গেজেট প্রকাশ এবং বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। নানা স্লোগান তোলেন বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের জীবিকার বিষয়টি অবহেলা করছে সরকার। সকাল ১১.৩০ মিনিট নাগাদ বিক্ষোভকারীরা শাহবাগে পুলিশ ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা প্রবেশপথের দিকে অগ্রসর হয়। সেই সময় পুলিশ জলকামান, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য লাঠিচার্জ করে। বিক্ষোভ যাতে বাসভবনে পৌঁছাতে না পারেন তার জন্য ইউনিফর্মধারী বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছিল। সেই সময় সংঘর্ষে অনেকে জখম হয়েছেন বলে খবর।
উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় যখন এক সিনিয়র পুলিশ আধিকারিক ডেপুটি কমিশনার মাসুদ আলম প্রতিবাদী আধিকারিককে প্রশ্ন করেন, ভোটে অন্তর্ঘাতের জন্য কি আপনারা যমুনায় এসেছেন ? এক প্রতিবাদী বলেন, ‘যদি এভাবে আক্রমণ চালিয়ে যাওয়া হয় তাহলে আমরা ভোট বয়কট করব।’ পরে পুলিশ জানায়, তারা বিক্ষোভ সামলানোর চেষ্টা করছিল।
শেখ হাসিনা পরবর্তী অস্থির সময়ে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন। এতদিন সেই সরকারই দেশ পরিচালনা করছে। যার নেতৃত্বে রয়েছেন মহম্মদ ইউনূস। তারপর থেকে বেশ কিছুদিন ধরে সেখানে নির্বাচিত সরকারের দাবি উঠছিল। এই পরিস্থিতিতে গত বছর ডিসেম্বর মাসে নির্বাচনের ঘণ্টা বাজে বাংলাদেশে। দিনক্ষণ ঘোষণা করে সে দেশের কমিশন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বাংলাদেশে নির্বাচন হতে চলেছে বলে জানিয়ে দেন বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। বাংলাদেশে মোট ভোটার ১২৭.৬ মিলিয়ন। বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন। বাংলাদেশের ৩০০ কেন্দ্রে ভোট পরিচালিত হবে।
(Feed Source: abplive.com)
