
ভারতীয় দল থেকে বেশ খানিকটা সময় বাইরে ছিলেন ঈশান। সাধারণত নিজের কামব্যাকে ক্রিকেটাররা খানিকটা চাপে থাকেন। পারফর্ম করে নিজেকে প্রমাণ করার বাড়তি তাগিদ থাকে। আর সেই তাগিদই বয়ে নিয়ে আসে চাপও। তবে ঈশানের মধ্যে এসব কিছুই দেখা যায়নি। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে কামব্যাক করে নির্ভীক ব্যাটিং করেছেন তিনি। এমনকী কেরিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি শতরানও আসে তাঁর ব্যাট থেকে। চলতি বিশ্বকাপেও নিজের সেই অকুতোভয় মানসিকতায় ভর করেই এগিয়ে চলেছেন ভারতীয় ওপেনার।
টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটিং কোচের মতে ঈশান কিষাণ সুযোগ পেলে সবসময়ই পারফর্ম করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঈশান যে কতটা প্রতিভাবান, তা আমরা সকলেই জানি। ভারতের হয়ে খেলার সুযোগ পেলে ও সবসময় পারফর্ম করেছে। কামব্যাকের পরেও এমনটাই করে চলেছে। আমি যখন ওর সঙ্গে কথা বলি তখনই ওর কথায় আত্মবিশ্বাস ঝরে পড়ছিল এবং এই আত্মবিশ্বাসটা ওর মধ্যে সবসময়ই কিন্তু ছিল। ২০১৯ সালে ও ভারতীয় এ দলে ছিল, তখন থেকে ওকে আমি চিনি। তারও আগে ২০১৬-১৭ সালে আমি যে আইপিএল দলে কাজ করতাম, সেখানে ও ছিল।’
কোটাকের মতে আত্মবিশ্বাসটাই ঈশানের সবথেকে বড় শক্তি। ‘ও কোনও কিছুর তোয়াক্কা করে না। আর সেটাই ওর শক্তিশালী পক্ষ, ওর স্বভাব বলে আমি মনে করি। একটা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তো এমন মানসিকতারই লোক প্রয়োজন। ওই ম্যাচেই তো ও মাঠের চারিদিকে শট খেলেছে, ফলে ও যে প্রতিভাবান তা নিশ্চিত। ওকে আটকে রাখাটা খুব কঠিন। ও তো ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামে, তাই ওকে আউট না করলে কিন্তু বিপদে পড়তে হবে’, দাবি কোটাকের।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে সর্বাধিক ৬১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ঈশান কিষাণ। আজ নামিবিয়া ম্যাচেও তাঁর এমন বিধ্বংসী ব্যাটিং দেখার আশায় ভারতীয় জনগণ।
(Feed Source: abplive.com)
