
শুক্রবার আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প সরকারের চাপানো সমস্ত শুল্ককে ‘বেআইনি’ ঘোষণা করেছে। আর তার পর পরই নতুন করে ১০ শতাংশ হারে বৈশ্বিক শুল্কের ঘোষণা করেছে ট্রাম্প সরকার। যে সমস্ত দেশের সঙ্গে ইতিমধ্যেই বাণিজ্যচুক্তি হয়ে গিয়েছে, এই নয়া হারে শুল্ক কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। আর সেই নিয়েই কংগ্রেস-সহ অন্য বিরোধী দলগুলি মোদি সরকারকে বিঁধতে শুরু করেছে। সাত তাড়াতাড়ি বাণিজ্যচুক্তিতে স্বাক্ষর করায় ভারতের ক্ষতি হয়েছে বলে মত তাদের। (US Supreme Court of Tariffs)
2/2
The fate of the US – India Trade Deal, i.e., ‘Framework Agreement’, executed in a great hurry by the Modi Government, is now under a serious cloud.
MODI GOVERNMENT HAS MUCH TO ANSWER TO THE NATION:
1.Why did the Modi Government suddenly rush to execute the US – India Trade… https://t.co/gPZVMooyjO
— Randeep Singh Surjewala (@rssurjewala) February 20, 2026
কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। মোদি সরকার সাত তাড়াতাড়ি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির যে কাঠামো তৈরি করেছে, তা নিয়ে এখন আশঙ্কার মেঘ। মোদি সরকারকে জবাব দিতে হবে, ১) আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা নিয়ে রায় আসতে চলেছে জেনেও কেন সাত তাড়াতাড়ি বাণিজ্যচুক্তি করতে ছুটল মোদি সরকার? কেন রায়ের জন্য অপেক্ষা করল না? ২) এটা কি সঠিক নয় যে আমেরিকা ভারতের উপর ১৮ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে? আমেরিকার প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতাই যেখানে খর্ব করা হয়েছে, ওই বাণিজ্যচুক্তির গুরুত্ব কী? মোদি সরকার কি এখন ওই বাণিজ্যচুক্তি বাতিল করবে? ৩) রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য কি ভারতকে শুল্কশাস্তি দেয়নি আমেরিকা? রাশিয়ার থেকে তেল কিনবে না ভারত, এই শর্তে কি পরে শুল্কশাস্তি প্রত্যাহার করা হয়নি? কিন্তু আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট কি প্রেসিডেন্টের সেই ক্ষমকা খর্ব করেনি? তাহলে তো রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে আর কোনও বাধাবিপত্তি রইল না, তাই নয় কি? জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাশিয়ার থেকে কি এবার সস্তায় তেল কিনবে ভারত? ৪) আমেরিকা থেকে খাদ্য ও কৃষিপণ্য় আমদানি করার সিদ্ধান্ত, যাতে ৭২ কোটি ভারতীয় কৃষক এবং শ্রমিকের স্বার্থ জড়িয়ে, তা থেকে কি পিছু হটবে মোদি সরকার? দেশের কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করা হবে কি? ৫) জেনেটিক্যালি মডিফায়েড আমদানি থেকে কি পিছু হটবে মোদি সরকার? ৬) আমেরিকার থেকে ৪৫ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য কিনতে যে ভারত বাধ্য নয়, তা কি ঘোষণা করবে মোদি সরকার? ৭) ভারতের ডেটা এবং ডিজিটাল সিকিওরিটি রক্ষার্থে কি প্রতিশ্রুতি দেবে মোদি সরকার?’
कल अमेरिका के सुप्रीम कोर्ट द्वारा उनकी टैरिफ नीति को खारिज किए जाने के बाद राष्ट्रपति ट्रंप ने कहा कि (i) पीएम मोदी उनके बहुत अच्छे मित्र हैं; (ii) भारत-अमेरिका ट्रेड डील घोषणा के अनुसार जारी रहेगी; और (iii) उन्होंने 10 मई 2025 को भारतीय निर्यात पर टैरिफ बढ़ाने की धमकी देकर… pic.twitter.com/p82WUw0k7A
— Jairam Ramesh (@Jairam_Ramesh) February 21, 2026
“Haste is the work of devil.”
The Supreme Court of the United States has struck down Donald Trump’s so-called global tariffs.
Had India waited just 18 more days, we may not have found ourselves cornered into what is a one-sided, anti-India trade deal.
Why did Modi make that… https://t.co/Q95drEw5IK
— Pawan Khera 🇮🇳 (@Pawankhera) February 20, 2026
কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশেরে কথায়, ‘নিজের ভাবমূর্তি রক্ষায় মোদি এত মরিয়া না হলে, ১৮টা দিন অপেক্ষা করে গেলে ভারতের কৃষকদের দুর্দশা থেকে মুক্তি দেওয়া যেত, ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা যেত’। পবন খেরার কথায়, ‘আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তথাকথিত বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করে দিয়েছে। ভারত ১৮টা দিন অপেক্ষা করলে এভাবে কোণঠাসা হতে হতো না, ভারতবিরোধী বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর করতে হতো না’।
শিবসেনা (উদ্ধব ঠাকরে) সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদি লেখেন, ‘বুঝতে পারছি না ভারত এত তাড়াতাড়ি চুক্তির দিকে এগোল কেন, কেন জ্বালানি সিদ্ধান্ত নিয়ে হাত তুলে দিল, আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষা না করে দেশের কৃষকদের স্বার্থ বিসর্জন দিল কেন? এখন ১০ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হবে, অথচ আমেরিকাকে শুল্ক দিতে হবে ০ শতাংশ’। চিনের সঙ্গে তুলনা টেনে তিনি আরও লেখেন, ‘আমেরিকার আদালতের হস্তক্ষেপের পর গোটা বিশ্বের মতো চিনও ১০-০ শতাংশ শুল্কের আওতায় চলে আসছে। অথচ তাদের রাশিয়ার থেকে তেল কেনার অধিকার বিসর্জন দিতে হয়নি। কোনও বাধাবিঘ্ন ছাড়াই সস্তায় তেল কিনছে। কিন্তু ভারত ১০ শতাংশ শুল্কও দেবে, আবার সস্তায় তেলও কিনতে পারবে না। কারণ আমরা ‘ঐতিহাসিক’ ১৮ শতাংশের চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রকের বুদ্ধি বলে কথা’।
pic.twitter.com/xkMPmzMyqQ Wonder why India rushed into a deal, giving up on energy purchase decisions, giving up on farmers interests rather than waiting for the US Supreme Court verdict? The trade is at 10% tariff now after the court intervention but again US imports to India at…
— Priyanka Chaturvedi🇮🇳 (@priyankac19) February 21, 2026
After the US Court intervention, China like the rest of the world is at 10-% tariff but hasn’t signed up its rights to purchasing Russian oil so it’s lapping up the cheap oil with no consequences.
While India, too will be at 10% tariff but no leverage to buy the oil.. because we… pic.twitter.com/RFDfPx9L9v— Priyanka Chaturvedi🇮🇳 (@priyankac19) February 21, 2026
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র লেখেন, ‘নরেন্দ্র মোদি দয়া করে কি বলবেন, কেন এই ডিগবাজিতে রাজি হলেন আপনি?’
Please @narendramodi can India have some answers on exactly why you agreed to this flip flop? pic.twitter.com/C0MymsFHYr
— Mahua Moitra (@MahuaMoitra) February 21, 2026
अमेरिकी राष्ट्रपति डोनाल्ड ट्रंप कह रहे हैं, “भारत टैरिफ भरेगा लेकिन अमेरिका नहीं।”
यह फैसला भारत-अमेरिका Trade Deal के तहत हुआ है और मोदी सरकार इसे जीत बता रही है।
यह ट्रेड डील भारतीय व्यापारियों और किसानों का Death Warrant है लेकिन मोदी सरकार इसका जश्न मना रही है। pic.twitter.com/HGihy76lqR
— AAP (@AamAadmiParty) February 21, 2026
আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে লেখা হয়, ‘আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, ভারত শুল্ক দেবে, আমেরিকা নয়। ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তিতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। মোদি সরকার এটাকে নিজেদের জয় বলে দেখাচ্ছে। আসলে এই চুক্তি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ডেথ ওয়ারেন্ট। মোদি সরকার এটিকে উদযাপন করছে’।
(Feed Source: abplive.com)
