
আঘাতের পাল্টা প্রত্যাঘাত। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পশ্চিম এশিয়ার আকাশে। আর সেই প্রভাব এসে পড়েছে অসামরিক বিমান পরিষেবায়। আকাশসীমা বন্ধ করে রেখেছে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশ। কয়েক হাজার কিলোমিটার ঘুরে অন্য রুটে চলাচল করছে যাত্রীবাহী বিমান। আর এই পরিস্থিতিতে ওয়াকিবহাল মহলের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে লাফিয়ে বাড়তে পারে বিমানের টিকিটের দাম।
এই পরিস্থিতিতে ইজরায়েল ও ইরান তো বটেই, এরই সঙ্গে বন্ধ রাখা হয় আকাশসীমা । বিমানবন্দরগুলি থেকে বন্ধ রাখা হয় উড়ান।ফলে এই এলাকাগুলিতে চোখে পড়ছে না কোনও বিমান! একাধিক ফ্লাইট ডেটা প্রোভাইডারের ট্র্যাকার ইমেজ থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে পরিস্থিতি। এই জোনে রয়েছে পৃথিবীর ৩টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্য়স্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।যেখানে দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করে!
এই পরিস্থিতিতে গত সোমবারও বাতিল হয় কলকাতা থেকে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে যাতায়াতের ২০ টি বিমান। এর মধ্যে রয়েছে বিমান সংস্থা এমিরেটস-এর ৮ টি, কাতার এয়ারওয়েজ-এর ৪ টি, এতিহাদ এয়ারওয়েজ-এর ৪ টি, এয়ার আরাবিয়া-র ২ টি এবং ফ্লাইদুবাই-এর ২ টি বিমান। আর যে বিমানগুলি অন্যান্য দেশে যাচ্ছে, সেগুলিকে যেতে হচ্ছে ঘুরপথে। পাড়ি দিতে হচ্ছে বিস্তীর্ণ পথ। ফলে অতিরিক্ত জ্বালানি লাগছে।
পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে বসবাস করেন লক্ষ লক্ষ ভারতীয়। সংখ্যাটা প্রায় ১ কোটির কাছাকাছি। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের তথ্য বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে রয়েছেন প্রায় ৩৫ লক্ষ ৬৮ হাজার ভারতীয়। কুয়েতে এই সংখ্যাটা প্রায় ৯ লক্ষ ৯৫ হাজার। কাতারে প্রায় ৮ লক্ষ ৩৬ হাজার ভারতীয় রয়েছেন। বাহরিনে রয়েছেন ৩ লক্ষ ২৭ হাজারের বেশি ভারতের নাগরিক। আর যে দুই দেশের মধ্যে এই মুহূর্তে সংঘাত চরমে উঠেছে, সেই ইজরায়েলে রয়েছেন ১ লক্ষের ওপর ভারতীয়।ইরানে এই সংখ্যাটা ১০ হাজারের বেশি। অর্থাৎ মধ্য় এশিয়ার পরিস্থিতির ছাপ এসে পড়েছে ভারতেও।
(Feed Source: abplive.com)
