
বায়ুর গুণগত মান পর্যবেক্ষণকারী সুইস সংস্থা আইকিউ এয়ার তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, সামগ্রিকভাবে পরীক্ষিত ১৪৩টি দেশের মধ্যে ১৩০টি দেশ ও অঞ্চল WHO-এর গাইডলাইন মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশ্বের সবথেকে দূষিত দেশের তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে – বাংলাদেশ ও তাজিকিস্তান।
পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা চরমে। আক্রমণের বিরাম – বিশ্রাম নেই। ইরানে ক্রমাগত মিসাইল ছুড়ছে ইজরায়েল -আমেরিকা। একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পড়ছে আকাশ থেকে। পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর ইরানে ! তেহরানে তেলের ডিপো ও জ্বালানি মজুদ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে, ক্রমাগত হামলা করেছে আমেরিকা। একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটছে জ্বালানির ঘাঁটিগুলোতে। এর ফলে যে শুধু প্রাণহানি বা সম্পত্তি হানি ঘটছে তাই নয়, বাতাস ভারী হয়ে উঠছে হাইড্রোকার্বন, সালফার ও নাইট্রোজেন অক্সাইডে।
ফি বছর দূষণে দমবন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়। রাজধানীর বুকে জীবনের অধিকার বিপন্ন বলে তাই লাগাতার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগে গত বছর নভেম্বর মাসে কার্যত সিলমোহর দেয় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সমীক্ষা সংস্থা Global Burden of Disease (GBD). তারা যে পরিসংখ্যান সামনে আনে, সেই অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দিল্লিতে যত মানুষ মারা গিয়েছেন, তার ১৫ শতাংশই বায়ুদূষণের কারণে। (Delhi Air Pollution)
Institute for Health Metrics and Evaluate (IHME) যে হিসেব প্রকাশ করে, তার উপর নির্ভর করেই এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করে GBD. IHME জানায়, ২০২৪ সালে দিল্লিতে ১৭ হাজার ১৮৮ জনের মৃত্যুর সঙ্গে দূষণের সংযোগ উঠে এসেছে। দীর্ঘসময় বাতাসের বাসমান ধূলিকণা PM2.5-এর সংস্পর্শে থাকাতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তাঁরা। সেই নিরিখে দিল্লিতে প্রতি মারা যাওয়া প্রতি সাতজনের মধ্যে একজনের মৃত্যুর সঙ্গে দূষিত বাতাসের সংযোগ মিলেছে। (Air Pollution in Delhi)
দূষণের জেরে শরীরে নানা রকম রোগ বাড়ছে বিভিন্ন জায়গায়। এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্য আগাম নানা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলে থাকেন স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা। Pollution News
(Feed Source: abplive.com)
