Varun Dhawan On Daughter’s Disease:বরুণ ধাওয়ান জানিয়েছেন যে তাঁর মেয়ে লারা, যার ‘ডেভেলপমেন্টাল ডিসপ্লেসিয়া অফ দ্য হিপ’ ধরা পড়েছিল, তার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়নি, তবে তাকে স্পাইকা কাস্ট পরে থাকতে হয়েছিল।
বরুণ-নাতাশার কন্যা লারা এখন সুস্থ হয়ে উঠছে
মুম্বই: বরুণ ধাওয়ান সম্প্রতি জানিয়েছেন যে তাঁর শিশুকন্যা ডেভলপমেন্টাল ডিসপ্লেসিয়া অফ দ্য হিপ (ডিডিএইচ) রোগে আক্রান্ত। যার ফলে তার স্বাভাবিকভাবে হাঁটা ও দৌড়ানোর ক্ষমতা ব্যাহত হয়েছে। বরুণ ও তাঁর স্ত্রী নাতাশার কোলে ২০২৪ সালে ভূমিষ্ঠ হয়ে আসে তাঁদের মেয়ে লারা। ‘বি এ ম্যান, ইয়ার!’-এর সাম্প্রতিক একটি পর্বে বরুণ বলেছেন, লারার বয়স যখন প্রায় দেড় বছর, তখন রোগটি ধরা পড়েছিল। তিনি জানান, পরে একটি চিকিৎসা পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় এবং লারা এখন সুস্থ হয়ে উঠছে।
বরুণ ধাওয়ান বলেন, “আমার মেয়ের ডিডিএইচ ধরা পড়েছে, যেখানে নিতম্বের হাড় তার সকেট থেকে সরে যায়। এক পা অন্যটির চেয়ে ছোট হয়ে যায়, যার কারণে সে ঠিকমতো হাঁটতে বা দৌড়তে পারে না।’’
তিনি আরও যোগ করেন, “পশ্চিমী দুনিয়ায় এই রোগের খুব ভাল চিকিৎসা সদ্যোজাত শিশুর জন্ম থেকেই হয়, ভারতে সব জায়গায় এতটা নেই। কিন্তু এখানেও অনেক ভাল ডাক্তার আছেন যাঁরা এর যত্ন নেন।’’ বরুণ আরও জানান তাঁদের মেয়ের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়নি। একটি পদ্ধতির মাধ্যমেই চিকিৎসকরা হিপ আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনতে পেরেছিলেন। কিন্তু তাকে স্পাইকা কাস্ট অবস্থানে থাকতে হয়েছিল। তার মানে, তাকে আড়াই মাস কাস্টের মধ্যে থাকতে হয়েছিল। যা অত্যন্ত কঠিন। তাকে অ্যানেস্থেসিয়াও দেওয়া হয়েছিল এবং তার পর যখন তার জ্ঞান ফেরে, সে কাস্ট পরা অবস্থায় ছিল। এখন কাস্টটি খোলা হয়েছে। আমি এই বিষয়ে একটি বই লিখতে চাই।”
অভিভাবকদের এই ধরনের অবস্থার প্রতি সতর্ক থাকতে বলে বরুণ আরও বলেন যে, শিশুরা যাতে সঠিক সময়ে প্রাপ্য যত্ন পায়, তা নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
(Feed Source: news18.com)