
আমেরিকার দ্বিতীয় যে বিমানটি ইরান গুলি করে নামিয়েছে, সেটি একটি এ-১০ Warthog fighter aircraft এবং এই বিমানটিকে কুয়েতের কাছে গুলি করা হয়েছিল যার জেরে ভেঙে পড়ে বিমানটি। এই বিমানের পাইলট নিরাপদে ‘ইজেক্ট’ করতে পেরেছেন। সেই ছবি-ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ইতিমধ্যেই। এর পাশাপাশি ২টো ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার যেগুলি নিখোঁজ পাইলটদের খোঁজার কাছে যুক্ত ছিল, সেগুলিকেও গুলি করেছে ইরান। তবে ইরানের আকাশসীমা থেকে বেরিয়ে যেতে পেরেছিল এই ২টি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার। ২ জন মার্কিন আধিকারিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
যদিও হোয়াইট হাউস কিংবা পেন্টাগনের তরফে কোনও বিবৃতি এখনও প্রকাশ করা হয়নি ইরানের গুলি করে বিমান নামানোর এই ঘটনার ব্যাপারে। তবে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি Karoline Leavitt জানিয়েছিলেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই গোটা ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে। এনবিসি নিউজের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের সমস্ত ট্রাম্প জানিয়েছেন, F-15 বিমানের ঘটনার জন্য ইরানের সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে কোনও প্রভাব পড়বে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইরান সম্পর্কে আলোচনার ব্যাপারে ইরানের আমেরিকার বিমান গুলি করে নামানোর ঘটনার কোনও প্রভাব পড়বে না। ‘এটা যুদ্ধ। আমরা যুদ্ধেই আছি।’
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে অশান্ত পশ্চিম এশিয়া। যুদ্ধ থামছেই না ইরান এবং ইজরায়েল এবং আমেরিকার মধ্যে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে নতুন করে বড়সড় হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এর পাশাপাশি ট্রাম্প এও বলেছেন যে, হরমুজের তেলের প্রয়োজন নেই আমেরিকার। বরং যাদের দরকার আছে তারা যেন হরমুজের নিরাপত্তা দেয়, এমনকি হরমুজের মালিকানা নিয়ে তা উপভোগও করতে পারে।
(Feed Source: abplive.com)
