
রবিবার ট্রুথ সোশ্যালে ইরানকে আক্রমণ করেন ট্রাম্প। লেখেন, ‘মঙ্গলবার পাওয়ার প্লান্ট ডে হবে। আগে কখনও যা দেখা যায়নি, তা-ই হবে। ওপেন দ্য ফা** স্ট্রেট, ইউ ক্রেজি বা**। অন্যথায় নরকবাস হবে তোমাদের। দেখতে থাকো। আল্লাহ্ সহায় হোন’। (US-Iran War)
একমাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চললেও, এখনও পর্যন্ত মাথা নোয়াতে রাজি হয়নি ইরান। হরমুজ নিয়েও একেবারে অনড় অবস্থান তাদের। বরং পশ্চিম এশিয়ায় লাগাতার লক্ষ্য়ে আঘাত হেনে চলেছে। হরমুজও এখন সম্পূর্ণ ভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণে। এর আগে সোমবারও তাদের হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তাতেও কাজ না হওয়ায়, ট্রাম্প সংযম হারালেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
BREAKING: Trump:
Tuesday will be Power Plant Day, and Bridge Day, all wrapped up in one, in Iran. There will be nothing like it!!!
Open the Fuckin’ Strait, you crazy bastards, or you’ll be living in Hell – JUST WATCH! Praise be to Allah. pic.twitter.com/jzIHXepVRN
— Clash Report (@clashreport) April 5, 2026
যে সময় ট্রাম্প এমন অপশব্দ ব্যবহার করলেন, তাও গুরুত্বপূর্ণ। গুলি করে আমেরিকার যুদ্ধবিমান নামিয়েছে ইরান। শত্রুপক্ষের হাত থেকে এক সৈনিককে উদ্ধার করে আনতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে আমেরিকাকে। ফলে বাইরের দুনিয়াতে তো বটেই, দেশের অন্দরেও প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে ট্রাম্পকে। ইজ়রায়েলের কথায় কেন যুদ্ধে গেলেন, প্রশ্ন তুলছেন তাঁরই একদা ঘনিষ্ঠরা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিনা প্ররোচনাতেই ইরানে হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। ইরানের সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা খামেনেইকে হত্যা করে তারা। সেই থেকে এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, এখনও যুদ্ধের আঁচে তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। ইরানকে দুরমুশ করা সম্ভব ভেবে যুদ্ধে ঝাঁপালেও, এই মুহূর্তে যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
যুদ্ধের হাইলাইট-
একটি বা দু’টি নয়, আমেরিকার একাধিক যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানোর দাবি করেছে ইরান। সেই তালিকায় রয়েছে অত্য়াধুনিক F-15E যুদ্ধবিমান, UH-60 Black Hawk Helicopter.
ইরাক, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ছুড়েছে ইরান।
একটানা হরমুজ বন্ধ করে রেখেছে ইরান। এর ফলে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেল এবং গ্যাসের দাম বাড়ছে। অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
ইরানের বুশেহর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে চতুর্থবার আঘাত হেনেছে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। এভাবে চললে তেজস্ক্রিয় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইরান।
ইরানে ক্ষমতার পালাবদল ঘটিয়ে ছাড়বেন বলে যুদ্ধের শুরু থেকে দাবি করে আসছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু গত কয়েক দিনে পর পর নিয়ের সরকারের আধিকারিকদের বদলি করেছেন তিনি। কেউ কেউ পদত্যাগও করেছেন। সেই নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে তেহরান।
যুদ্ধবিমান হারিয়েও এখনও পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির উপর জোর দিচ্ছেন ট্রাম্প। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কথাবার্তা চলছে দুই দেশের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত সমাধানসূত্র বেরোয় কি না, দেখার।
(Feed Source: abplive.com)
