
কী অভিযোগ পাপিয়া অধিকারীর?
এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাপিয়া অধিকারী বলছেন, ‘এই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর্স গিল্ডে ওই অবিশ্বাস ভাই ছিলেন। তিনি কিচ্ছু না করে শুধু ভাইয়ের জোরে এই জায়গাটা পেয়েছিলেন। এত অত্যাচার করেছেন! হাতুড়ি মারার আগে আমরা ধরে নিয়েছি। আমরা কফিনে শুতে দেব না বাংলা ছবিকে। কেউ কিচ্ছু জানে না, তবু কাজ পাচ্ছেন। কারণ তাঁরা বিশ্বাস ব্রাদার্সের পা চাটা লোক সব!’
কী বলছেন রুদ্রনীল ঘোষ?
এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুদ্রনীল বলেন, ‘কারা যোগ্য? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নানাবিধ ভুল ও অন্যায় দেখে যাঁরা চুপ থাকবেন, তাঁরাই কাজ করার যোগ্য। ৮০ শতাংশের ওপর কাজ হারিয়েছেন টেকনিশিয়ানরা, আর্টিস্টরা, প্রযোজক, পরিচালক এবং আনুষাঙ্গিক কাজে প্রচুর মানুষ যুক্ত থাকেন, তাঁরা। কাউকে ঘোষিত ব্যান, কাউকে অঘোষিত ব্যান। আমাকে ব্যান করে দেওয়া হয়েছিল। এবার এই অন্ধকারটা কেটেছে। কাজ যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে।’
যাবতীয় অভিযোগ নিয়ে কী জানিয়েছেন স্বরূপ বিশ্বাস?
এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, ফেডারেশন অফ সিনে টেকনিশিয়ানস অ্য়ান্ড ওয়ার্কার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস বলছেন, ‘এখানে মনোপলি বলে কিছু হয় না। এখানে কলাকুশলীদের গিল্ড আছে। তাঁরা সবাই মিলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সেখানে মনোপলি বা অন্য কিছুর কোনও জায়গা নেই। আলোচনা হবে। আলোচনা হলে সমস্ত সিদ্ধান্ত হবে’
দেব-স্বরূপ দ্বন্দ্ব
সটুডিও পাড়ায় টেকনিশিয়ানদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে কদিন আগেই, সামনে এসেছিল দেব ও স্বরূপ বিশ্বাসের সংঘাত। এই আবহে বিজেপির জয়ের পর ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন অভিনেতা ও তৃণমূল সাংসদ দেব। লেখেন, ‘বাংলা চলচ্চিত্র জগতের ভিতরে ব্যান করা এবং বিভাজনের যে সংস্কৃতি রয়েছে তা যেন অতীত হয়ে যায়-এটা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।’
(Feed Source: abplive.com)
