
এদিন প্রশাসনিক বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এঁদের চলে যাওয়া উচিত। ওই দেশের মুখপাত্র বলেছিলেন যে বাংলাদেশিদের ফেরত নেবেন। জলদি জলদি ভাগো। জলদি জলদি ভাগো। নাহলে এই সরকার যা করার করবে।’
শুভেন্দু অধিকারী সাফ বলেন, ‘আমরা বলে দিয়েছি যে বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারী তাদেরকে কোর্টে পাঠানোর কোনও দরকার নেই। আইনে নেই। সরাসরি পুলিশ নেবে এবং BSF-এর হাতে হ্য়ান্ডওভার করবে। BSF-এর যা ভারত সরকার, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আছে এগ্রিমেন্ট, বাংলাদেশি প্রমাণ করে হস্তান্তর করে দেবে। আমাদের জেলে ৩ মাস, ৬ মাস, ২ বছর রেখে, আপনার চাল, আপনার ডাল, আপনার তেল, আপনার মাছ, আপনার ডিম, আপনার কাপড়, আপনার ওষুধ ওদেরকে দেব কেন? ভারতীয়দেরই ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের রাজ্য়েরই ক্ষতি হচ্ছে। সেইজন্য আইনটা এতদিন ছিল, ভোট ব্যাঙ্কের স্বার্থে কেউ বা কারা ব্যবহার করেনি, আমরা ভোট ব্যাঙ্কের বাইরে গিয়ে, দেশের স্বার্থে, রাজ্যের স্বার্থে এই আইন কার্যকর করছি।’
বিধানসভা ভোটের প্রচারে অনুপ্রবেশ ইস্যুকে বড়সড়ভাবে তুলে ধরেছিল বিজেপি। ভোটে জিতে সরকার তৈরি করার পর অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো নিয়ে তৎপর হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আটক বিদেশি নাগরিক বা ডিপোর্টেশনের অপেক্ষায় মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিকদের জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করতে। এর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মালদার ইংরেজবাজারে খোলা হল হোল্ডিং সেন্টার। এবার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী আরেক জেলা মুর্শিদাবাদেও হোল্ডিং সেন্টার খোলা করা হল।
এই পরিস্থিতিতে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিদের মধ্যে এবার ফেরার তাড়া! সোমবারের পর মঙ্গলবারও উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর চেকপোস্টে দেখা গেল বাংলাদেশে ফেরার হিড়িকের ছবি।
(Feed Source: abplive.com)
