
রবিবার সিএবি বিবৃতি দিয়ে মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিবের অভিযোগ বিভ্রান্তিকর বলে উড়িয়ে দিল। সঞ্জিত তরৈ অভিযোগ করেছিলেন, গতবার সিএবি-র বার্ষিক সাধারণ সভার আগে মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধি হিসাবে নিজের নাম সম্বলিত ফর্ম জমা করাতে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সিএবি-র হেড ক্লার্ক সেটি নিতে অস্বীকার করেন। এবিপি লাইভ বাংলাকে সঞ্জিত বলেছিলেন, ‘এরপর আমাদের ফের বৈঠক হয়। সেখানে সুজয় হাজরা জানান, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছেন আমি নই, মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধি হিসাবে সিএবি এজিএমে সুজয় যাবেন। আমি পিছিয়ে আসতে বাধ্য হই।’
তার প্রত্যুত্তরে বিবৃতি দিয়ে সিএবি রবিবার জানাল, সঞ্জিত তরৈয়ের অভিযোগ প্রকৃত ঘটনাকে বিকৃত করেছে। তিনি মিথ্যে বর্ণনা দিয়েছেন। রাজ্যের ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সিএবি-র নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, রাজনীতি মুক্ত। বলা হয়েছে, সঞ্জিত তরৈ প্রতিনিধি মারফত এজিএমে তাঁর রিপ্রেজেন্টেশন ও নমিনেশন ফর্ম জমা করতে পাঠিয়েছিলেন। তবে সেখানে মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যকরী কমিটির বৈঠকে তাঁকেই যে মনোনীত করে সিএবি এজিএমে পাঠানো হচ্ছে, তার বাধ্যতামূলক অঙ্গীকারপত্র ছিল না। ইলেক্টোরাল অফিসারের কাছে তা জমা দেওয়ার আগে সিএবি থেকে সেগুলি খতিয়ে দেখা হয়। অঙ্গীকারপত্র না থাকার বিষয়টি সঞ্জিত তরৈকে জানানো হয় বলেও বিবৃতিতে জানিয়েছে সিএবি। বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, এরপর ৯ সেপ্টেম্বর সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি সহ অ্যাপেনডিক্স এ জমা দেয় মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা। সেখানে প্রতিনিধি হিসাবে সুজয় হাজরার নাম পাঠানো হয়। হোয়াইটনার ব্যবহার করে আগের ফর্মেই নাম পরিবর্তন করে সুজয় হাজরাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে সিএবি। সঞ্জিত তরৈ সেখানে সই করেন ও সিলমোহর দেন বলে দাবি।
মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা কাকে প্রতিনিধি করে পাঠাবে, সেটা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার আর সিএবি এতে হস্তক্ষেপ করে না বলে দাবি করল বঙ্গ ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালেও মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধি ছিলেন সুজয় হাজরাই। তরৈয়ের আচরণ ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং ইচ্ছাকৃতভাবে সংস্থার ভাবমূর্তি ‘কলঙ্কিত’ করার চেষ্টা বলে পাল্টা অভিযোগ সিএবির। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিএবি প্রশাসন।
এ ব্যাপারে সঞ্জয় তরৈ কী প্রতিক্রিয়া দেন, জানার অপেক্ষায় ময়দান।
(Feed Source: abplive.com)
