
তবে শুনানি নিয়ে গড়িমসি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। আইনজীবী প্রাঞ্জল পাল প্রশ্ন তুলেছিলেন, সিএবি অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য হয়েও সুরজিৎ কী করে বেঙ্গল টি-২০ লিগে পুরুলিয়া নোভাস রয়্যালস দলের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। সুরজিৎ যে অভিযোগ শুনে বলেছিলেন, এথিক্স অফিসার যা বলবেন, মেনে নেবেন।
ঘটনা হচ্ছে, শুনানির জন্য প্রথমে দুই পক্ষকে ২০ জুন ডাকা হয়। সেই মতো চিঠিও দেওয়া হয়। যদিও বেঙ্গল টি-২০ লিগ শেষ হচ্ছে ২১ জুন। সেদিনই টুর্নামেন্টের ফাইনাল। তার আগের দিন শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে দেখে অভিযোগকারী প্রাঞ্জল পাল অবাক হয়ে যান বলেই খবর। কারণ, তাঁর অভিযোগ মূলত ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক যে টুর্নামেন্টের সঙ্গে সিএবি-র অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্যের সংযোগ নিয়ে, সেখানে টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার আগের দিন শুনানি করা মানে তা ‘অর্থহীন’ হয়ে দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন অভিযোগকারী।
বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, আইনজীবী প্রাঞ্জল ফের এ নিয়ে সিএবি-কে চিঠি পাঠান। তারপরই নড়েচড়ে বসে বঙ্গ ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। নতুন করে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, ২০ জুন নয়, অভিযোগকারীর অনুরোধে শুনানি এগিয়ে আনা হয়েছে। ১৩ জুন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় দুই পক্ষের মতামত শুনবেন এথিক্স অফিসার।
সুরজিৎ লাহিড়ীর বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতে জড়ানোর অভিযোগ তুলে সিএবির এথিক্স অফিসার, প্রাক্তন বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্যর কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন আইনজীবী প্রাঞ্জল পাল। দাবি করেছিলেন, সুরজিৎকে অবিলম্বে অ্যাপেক্স কাউন্সিল থেকে বরখাস্ত করা হোক, আর্থিক জরিমানা করা হোক এবং ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড থেকে নির্বাসিত করা হোক।
অভিযোগের কথা শুনে এবিপি লাইভ বাংলাকে সুরজিৎ বলেছিলেন, ‘আমাকে যদি এথিক্স অফিসার ডাকেন, যেটা উনি বলবেন আমি শুনব। যেটা উনি রায় দেবেন সেটাই মেনে নেব। আমি যদি কোনও ক্রিকেট দলের সঙ্গে যুক্ত হই, সেটা তো ক্রিকেটের স্বার্থে। অন্য কোনও কারণে নয়। পুরুলিয়া দলের সঙ্গে আমার কোনও আর্থিক চুক্তি নেই। ওরা অনুরোধ করায় আমি উপদেষ্টা হিসাবে যুক্ত রয়েছি শুধু।’
(Feed Source: abplive.com)
