
EPFO-র নিয়ম অনুযায়ী, কর্মচারীদের বয়স ৫৫ বছর হওয়ার পর তাঁরা অবসর নিলে EPF তহবিলে থাকা সব টাকা তুলতে পারেন। এছাড়া ৫৪ বছর বয়সে পৌঁছালে মোট করপাসের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত তোলা যায়। চাকরি হারানোর ক্ষেত্রে এক মাস বেকার থাকলে ৭৫ শতাংশ এবং ২ মাস বেকার থাকলে পুরো টাকা তোলা যায়। যদিও এমপ্লয়িজ’ পেনশন স্কিমে থাকা টাকা তোলা যায় না। এ ছাড়াও চিকিৎসা, উচ্চশিক্ষা, বিয়ে, বাড়ি কেনা বা নির্মাণ, হোম লোন শোধ এবং বাড়ি সংস্কারের মতো নির্দিষ্ট কারণেও আংশিক অর্থ তোলা যায়। আধার UAN-এর সঙ্গে সংযুক্ত থাকলে অনলাইনেই আবেদন করা সম্ভব।
EPF থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে কিন্তু করের একটা ব্যাপার রয়েছে। এমনিতে সাধারণত EPF-এর ক্ষেত্রে কর্মচারীর নিজস্ব অবদান করমুক্ত থাকে। তবে সেই অবদানের উপর প্রাপ্ত সুদ কিন্তু ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ হিসেবে দেখা হয়। আর সেই ক্ষেত্রে এটাও করযোগ্য হতে পারে। অন্যদিকে সংস্থা যে টাকা দেয়, সেই টাকা এবং তা থেকে অর্জিত সুদ বেতনের আয় হিসেবে গণ্য হয়। এবং এর উপর কর দিতে হয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ‘পাঁচ বছরের নিয়ম’। টানা পাঁচ বছর চাকরি সম্পূর্ণ হওয়ার আগে EPF তহবিল তুলে নিলে সেই অর্থ সাধারণত করযোগ্য হয়ে যায়। যদি ৫০ হাজার টাকার বেশি অর্থ তোলা হয়, তাহলে PAN জমা থাকলে ১০ শতাংশ এবং PAN না থাকলে ২০ শতাংশ হারে TDS কাটা হয়।
তবে কর্মচারী যদি PAN-এর সঙ্গে Form 15G বা 15H জমা দেন এবং প্রযোজ্য শর্ত পূরণ করেন, তাহলে কিন্তু এই TDS এড়ানো সম্ভব। অন্যদিকে পাঁচ বছর বা তার বেশি সময়ের ধারাবাহিক চাকরির পরে EPF থেকে অর্থ তোলা হলে, তাতে কোনও কর দিতে হয় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, EPF থেকে অর্থ তোলার আগে কর সংক্রান্ত নিয়মগুলি ভালভাবে জেনে নেওয়া জরুরি, যাতে অপ্রত্যাশিত করের বোঝা বা TDS কাটার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।
(Feed Source: abplive.com)
