
ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, সোমবার দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বড়সড় হামলা চালিয়েছে মার্কিন বায়ু ও নৌসেনা। ধ্বংস করা হয়েছে ইরানের এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার, জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং হরমুজ প্রণালীর আশপাশে থাকা ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস অর্থাৎ IRGC-র ৬০টিরও বেশি ছোট নৌযান। মার্কিন হামলায় দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপ, সিরিক এবং বন্দর আব্বাস এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গতমাসের শেষে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য় ঘিরে শুরু হয়েছিল জল্পনা। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে একটি পণ্যবাহী জাহাজকে লক্ষ্য় করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। যার নেপথ্য়ে রয়েছে ইরান। এরপরই সংবাদমাধ্য়মের প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে তিনি জল্পনা উস্কে দিয়েছিলেন। ইরানকে ফল ভুগতে হবে কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আপনারা নিজেরাই দেখতে পারবেন। এদিকে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় আমেরিকার বিমান হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছিল ইরান। জানিয়েছিল ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস।
দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অবশেষে যুদ্ধবিরতির পথে ছিল আমেরিকা ও ইরান। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান একটি অন্তর্বর্তী ১৪ দফা শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে। এই সময়ের মধ্যে ২ পক্ষ স্থায়ী শান্তিচুক্তির বিষয়ে আলোচনা চালাবে। কিন্তু মাঝে পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নেয়।
মূলত, গতমাসে যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে যুদ্ধ ঘনিয়ে আসে পশ্চিম এশিয়ায়। ইরানে হামলা চালায় আমেরিকা। জবাবে প্রতিবেশী দেশে আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য় করে হামলা চালিয়েছিল ইরানও। আমেরিকার সেন্ট্রাল কম্যান্ড ইরানের একাধিক জায়গায় হামলা চলেছিল। ইরানের সেনা ঘাঁটি, নজরদারি পরিকাঠামোর উপর হামলা চালানো হয়েছিল। হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি ইরানের সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকার নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনা।
(Feed Source: abplive.com)
