
ব্যক্তিগত জীবন সহজ ছিল না রাজেশ খন্নার
অনিতার কথা অনুযায়ী, রাজেশ খন্না অনেকটা বড় হওয়ার পরে জানতে পারেন, তাঁকে দত্তক নেওয়া হয়েছিল। তিনি যে তাঁর বাবা মায়ের নিজের সন্তান না, তা অনেকটা বড় হওয়ার পর জানতে পারেন অভিনেতা। এটা তাঁর কাছে একটা খুব বড় ধাক্কা। পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক সম্পর্ক ভেঙে যায় তাঁর। এর ফলে, সহজে কাউকে বিশ্বাস করতে পারতেন না রাজেশ খন্না। কাজে থাকার সময়ে, রাজনৈতিক প্রচারে যেতেন তিনি, কিন্তু কখনও এ নিয়ে কোনও আর্থিক লেনদেন করতেন না। টাকা পয়সা নেননি কখনও। আর এই দত্তক নেওয়ার বিষয়টি তিনি জানতে পারেন, ভীষণ অপ্রত্যাশিতভাবে। তাঁর এক বোন, বাড়িতে দেখা করতে আসেন তাঁদের সঙ্গে। সেই সময়ে তিনি রাজেশ খন্নাকে দেখে প্রশ্ন করে বসেন, এটা কে? তখনই এই গোটা বিষয়টা প্রকাশ্যে আসে যে, রাজেশ শর্মা দত্তক পুত্র। তখনই প্রকাশ্যে আসে গোটা বিষয়টা। গোটা বিষয়টা জানতে পেরে, খুব ভেঙে পড়েছিলেন রাজেশ খন্না।
১৯৬৯ সালে ‘আরাধনা’ ছবির হাত ধরে, রাজেশ খন্না হিন্দি সিনেমা এক অন্যতম জনপ্রিয় তারকা হয়ে উঠেছিলেন। এরপরে তাঁর টানা ১৫টা সিনেমা হিট হয়েছিল। সেই সময়ে তাঁকে কাস্ট করার জন্য বাড়ির বাইরে কার্যত লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন রাজেশ খন্না। তবে অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) যখন বলিউডে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে, তখনই ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা কমতে থাকে রাজেশ খন্নার। তাঁর রোম্যান্টিক সিনেমা আর দেখতে চাইছিলেন না দর্শকেরা। একের পর এক টানা সিনেমা ফ্লপ হতে থাকে তাঁর। এতে ভীষণ ভেঙে পড়েছিলেন রাজেশ খন্না।
(Feed Source: abplive.com)
