
গত ৩১ জুলাই মুম্বইয়ের গোরেগাঁও থানায় মামলা গার্হস্থ্য হিংসার মামলা দায়ের করেন অদিতি। অদিতি জানিয়েছেন, তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে। মানসিক নির্যাতনও চালানো হয়েছে তাঁর উপর। যা নয় তাই ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে তাঁকে। প্রশ্ন তোলা হয়েছে তাঁর চরিত্র নিয়ে। শুধু তাই নয়, শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর স্ত্রীধন অর্থাৎ বিয়ের গয়নাগাঁটিও হাতিয়ে নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন বলে জানিয়েছেন অদিতি। (Bollywood News)
পুলিশকে অদিতি জানিয়েছেন, ২০২১ সালের জুন মাসে প্রথম অভিনীতের সঙ্গে পরিচয় তাঁর। অনলাইন অ্যাক্টিং ক্লাসে আলাপ হয়। কিছু দিনের মধ্যেই পরস্পরের বন্ধু হয়ে ওঠেন তাঁরা। পরবর্তীতে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে গোরেগাঁও ওয়েস্টের একটি অ্যাপার্টমেন্টে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন দু’জনে। এর পর ওই বছরই ১২ নভেম্বর দুই পরিবারের সম্মতিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা।
অদিতির দাবি, বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই অভিনীতের আচরণ পাল্টে যায়। রোজ রোজ ঝগড়া ঝামেলা শুরু হয়। পোশাক পরা থেকে ছোটখাটো বিষয়ে বচসা, তর্কাতর্কি শুরু হয় তাঁদের মধ্যে। কিন্তু সংসারের কোনও দায়িত্ব নিতেন না অভিনীত। খরচখরচায় কোনও যোগদান ছিল না। উল্টে নিয়মিত তাঁর থেকেই টাকা নিতে শুরু করেন অভিনীত। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি সামান্য কফি নিয়ে ঝগড়া হয় দু’জনের মধ্যে। আর তাতেই তাঁকে মারধর করেন অভিনীত।
ঝগড়া-ঝামেলাই নয় শুধু, অভিনীত তাঁকে সন্দেহ করতেও শুরু করেন বলে দাবি অদিতির। তিনি জানিয়েছেন, পরপুরুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আছে বলে অভিযোগ তোলেন অভিনীত। তাঁর মোবাইল ফোনও চেক করতে শুরু করেন। একটা সময় পর আলাদা আলাদা ঘরে থাকতে শুরু করেন তাঁরা। মা-বাবার সঙ্গেও তাঁকে কথা বলতে দেওয়া হতো না বলে দাবি অদিতির। অভিনীত বা তাঁর পরিবারের তরফে সংবাদমাধ্যমে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি এখনও পর্যন্ত। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে।
টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ অদিতি। ‘অপোলেনা-সপনো কা উঁচি উড়ান’, ‘কলীরেঁ’, ‘রব সে হ্যায় দুয়া’র মতো সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন।
(Feed Source: abplive.com)
