পাশাপাশি, উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে রাজ্যের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ সম্পর্কেও রাজ্যপালকে অবহিত করা হয়েছে।
সম্ভাব্য পূর্ণমন্ত্রীর তালিকায় এর পরের নাম জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়৷ তিনি শিউড়ির বিধায়ক৷ এক সময়ের দুঁদে সাংবাদিক৷ প্রশাসন এবং রাজনীতি কীভাবে একসাথে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করে, তা তাঁর জানা৷ ২০২১ সালেও তিনি শিউড়ি থেকে বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়েছিলেন৷ সেবার তিনি পরাজিত হন৷ তবে, তারপরেও ময়দান ছাড়েননি তিনি৷ ভোট পরবর্তী হিংসার সময়কালে কর্মীদের পাশে থেকেছেন, সংগঠনের কাজ করে গিয়েছেন৷ একেরপর এক মামলা হয়েছে সেই সময়, তা দেখার দায়িত্বও সে সময় দেওয়া হয়েছিল তাঁর উপর৷
কলকাতা: লোকভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিতে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর প্রস্তুতি, ছাত্রভর্তি এবং উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, বর্তমান শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পরিস্থিতি, ছাত্রভর্তির অগ্রগতি এবং জয়েন্ট এন্ট্রান্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফল প্রকাশের পর অতিরিক্ত পড়ুয়াদের জন্য রাজ্য কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে, সেই বিষয়গুলি রাজ্যপালকে জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ১৮ ও ১৯ আগস্ট উপাচার্য সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। ওই সম্মেলনে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রী—উভয়কেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
তসলিমা নাসরিন প্রসঙ্গেতসলিমা নাসরিনকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক প্রসঙ্গে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, পূর্ববর্তী বাম সরকার ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণে তাঁকে কলকাতা ছাড়তে বাধ্য করেছিল।মন্ত্রীর দাবি, “সেই সময় দুর্বল সরকার ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করেছিল। সেই কারণেই তসলিমা নাসরিনকে কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। ভারতীয় সংস্কৃতি ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’-এর আদর্শে বিশ্বাসী। তসলিমা নাসরিন একজন বাঙালি ও সাহসী লেখিকা। তিনি বাংলায় এসেছেন এবং বাংলাতেই থাকবেন।”
বীরভূমে খনিজ রাজস্ব ও টুলু মণ্ডল প্রসঙ্গবীরভূমে নগদ অর্থ উদ্ধারের ঘটনা এবং টুলু মণ্ডল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাত্র ৭২-৭৩ দিনের মধ্যে বীরভূম জেলা থেকে প্রায় আড়াইশো কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই রাজস্ব এসেছে পাথর, বালি খাদান, পরিবহণ এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদের বৈধ নিলাম ও রাজস্ব সংগ্রহের মাধ্যমে।
(Feed Source: news18.com)