‘জন গণ মন’ নয়, জাতীয় সঙ্গীত হোক ‘বন্দে মাতরম’.. ‘শক্তিমান’ মুকেশ খান্নার মন্তব্যে ফের বিতর্ক

‘জন গণ মন’ নয়, জাতীয় সঙ্গীত হোক ‘বন্দে মাতরম’.. ‘শক্তিমান’ মুকেশ খান্নার মন্তব্যে ফের বিতর্ক

 

কলকাতা: একটা সময়ে, তিনি ছিলেন ছোটদের কাছে সুপার হিরো। তাঁকে দেখে, তাঁর মতো হওয়ার চেষ্টা করত খুদেরা। তবে সময় গড়িয়েছে। বর্তমানে একাধিক প্রসঙ্গে তাঁর কথা, হামেশাই বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তিনি মুকেশ খান্না (Mukesh Khanna)। ছোটপর্দায় ‘শক্তিমান’-এর ভূমিকায় যিনি চূড়ান্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, বর্তমানে জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে সেই মুকেশ খান্নার বিতর্কেই নতুন করে তৈরি হল বিতর্ক! সদ্য দেওয়া একটা সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে, ‘জন গণ মন’ নয়, সেই জায়গা নিক ‘বন্দে মাতরম’। পাশাপাশি মুকেশ খান্না আরও বলেন, এই দাবি তিনি এর আগেও তুলেছিলেন। মুকেশ খান্না বলেছেন, ‘জন গণ মন’ আসলে রানি এলিজাবেথকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা হয়েছিল। দেশের জন্য এই গানটি আদৌ লেখা হয়নি। সেই কারণেই, এই গানটি জাতীয় সঙ্গীত নয়, জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত, দেশের জন্য লেখা, ‘বন্দে মাতরম’ গানটিকে।

জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে কী বলেছেন মুকেশ খান্না?

সদ্য দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে মুকেশ খান্না বলেন, ‘আমি তিন বছর আগে বলেছিলাম যে ‘বন্দে মাতরম’-কে জাতীয় সঙ্গীত করা উচিত। ‘জন গণ মন’ আমাদের দেশের জাতীয় সঙ্গীত নয়। এই গানটি আসলে রানী এলিজাবেথকে উৎসর্গ করে লেখা হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর প্রশংসায় একটি গান লিখেছিলেন। আমরা সেটাই মেনে নিয়েছি। ভাগ্যবিধাতা, পাঞ্জাব, সিংহ। এগুলি আমাদের দেশকে উদ্দেশ্য করে লেখা নয়। ‘বন্দে মাতরম’ আমাদের। লতাজী এই গানটি এত সুন্দরভাবে গেয়েছিলেন। কল্যাণজী আনন্দজীদের সঙ্গে আমার একটি বৈঠক হয়েছিল। ২ বছর আগে, আমি এটা পড়েছিলাম। আমি ‘বন্দে মাতরম’ গানটি গেয়ে রেকর্ড করেছিলাম। সাড়ে সাত মিনিটের একটা গান। আমার মনে হয়, এটা আইকনিক হওয়া উচিত।’

বিবাহ প্রসঙ্গে মুকেশ খান্না

সদ্যই অন্য একটি সাক্ষাৎকারে, বিবাহ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুকেশ খান্না বলেছিলেন, ‘অনেকে মনে করেন, আমি বিয়ে করিনি, তার অন্য আমি বিয়েতে বিশ্বাস করি না। বিষয়টা কিন্তু একেবারেই তা নয়। অন্যান্য অনেকের থেকেই বিয়েতে আমি বেশি বিশ্বাস করি। তবে বিয়েটা সম্পূর্ণভাবে ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে। স্ত্রী এমনি এমনি পাওয়া যায় না। আগের জন্মে অনেক পূণ্য করলে, তবেই স্ত্রী পাওয়া যায়। স্ত্রীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আগের জন্ম থেকেই তৈরি হয়। স্ত্রী কর্মফলকে শোধরানোর জন্য মানুষের জীবনে আসে। সম্পর্ক অনেক হতে পারে, কিন্তু স্ত্রী একজনই হয়।’

(Feed Source: abplive.com)