
রাখী বন্ধন উপলক্ষে সম্প্রতি একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেন কৃতি। ওই বিজ্ঞাপনে সাদা রংয়ের লেহঙ্গা পরেছিলেন তিনি। ঊর্ধ্বাঙ্গে যে চোলি পরেছিলেন, তাতে তাঁর বক্ষভাগের অনেকটা উন্মুক্ত ছিল। সেই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রথমে কাটাছেঁড়া শুরু হয়। ভাইয়ের হাতে রাখী বাঁধার সময় ওই ধরনের পোশাক সমীচীন কি না, প্রশ্ন তোলেন অনেকে। সেই নিয়ে কৃতির সমালোচনা করেন কঙ্গনাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘আলমারিতে পোশাকের কমতি নেই। তার পরও বিকিনি বা অন্তর্বাস পরে ভাইকে রাখী বাঁধতে হবে কেন? বিজ্ঞাপনটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর’। (Bollywood News)
গতকাল কৃতিকে নিশানা করে ওই কটাক্ষ ছুড়ে দেন কঙ্গনা। মঙ্গলবার জবাব দিতে এগিয়ে এসেছেন কৃতি। তিনি আজ সোশ্য়াল মিডিয়ায় লেখেন, ‘উৎসবের সার্থকতা পোশাকের উপর নির্ভর করে না, আবেগ এবং অনুভূতির মধ্যেই নিহিত থাকে সবকিছু। রাখী বন্ধন মানে পরস্পরকে আগলে রাখা। বোন এবং আমি পরস্পরকে রাখী পরাই। আমরা জানি, পরস্পরকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে আমরা ভাইয়ের চেয়ে কোনও অংশে কম নই। পরস্পরের সুস্বাস্থ্য, সুখী জীবন, দীর্ঘায়ু কামনা করি। বাড়ির পোষ্যকে নিয়েও একই অনুভূতি আমাদের। তারাও আমাদের পরিবারের অংশ’।
এর পর সুর বেশ চড়িয়েই সমালোচকদের জবাব দেন কৃতি। তাঁর বক্তব্য, ‘আরও একটা কথা, মেয়েদের কী পরা উচিত, কী নয়, তা নিয়ে উপদেশ দেওয়া কবে বন্ধ করব আমরা? সময়ের সঙ্গে সাবেকি পোশাকের ধরনও পাল্টে গিয়েছে। তার পরও মেয়েদের সম্মান নির্ধারিত হয় তাঁর পোশাকের ধরন দেখে! সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য হৃদয়ে থাকে, জামার গলা কতটা কাটা, তার উপর নয়’। কৃতি যেভাবে সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন, যে সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন, তার প্রশংসা করেছেন অনেকেই।
ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও রকম পূর্ব সংযোগ ছাড়াই বলিউডে সাফল্য অর্জন করেছেন কৃতি। প্রসাধনী ব্য়বসাতেও বেশ সফল তিনি। বিতর্ক কখনওই সেভাবে তাঁকে ছুঁতে পারেনি। এবার তাঁকেও আক্রমণ করলেন কঙ্গনা। এর আগে আলিয়া ভট্টকে একাধিকবার নিশানা করেন তিনি। তাপসী পান্নুকে আবার অহরহ আক্রমণ করেন তিনি। তাপসীকে নিজের ‘সস্তা অনুকরণ’ বলে সম্প্রতি ফের মন্তব্য করেন কঙ্গনা। তাঁর বাবা-মাকেও নিশানা করেন কঙ্গনা।
(Feed Source: abplive.com)
