
Viral News: উত্তরপ্রদেশের বল্লিয়া জেলার শিবপুর দিয়ারি নাম্বেরি গ্রামে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বনাথ পাল অচেতন হয়ে পড়েন। নড়াচড়া করতে না পারায় পরিবারটি ধরেই নিয়েছিল যে তিনি মারা গেছেন। তারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে, তারপর হাসপাতালে নিয়ে যেতেই ঘটল মিরাকেল ।
উত্তরপ্রদেশ: উত্তরপ্রদেশের বল্লিয়া জেলার শিবপুর দিয়ারি নাম্বেরি গ্রামে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। পরিবারের সদস্যরা এক বৃদ্ধকে মৃত ভেবে হাসপাতালে নিয়ে যেতেই তিনি জীবিত হয়ে উঠেছেন। ৬৫ বছর বয়সী বিশ্বনাথ পাল অচেতন ছিলেন এবং তাঁর হাত-পা সম্পূর্ণ অচল ছিল। শরীরে কোনও নড়াচড়া অনুভব না করে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে তুলসী ও গঙ্গার জল দেন। পরিবারের সদস্যরা ভেবেছিলেন যে তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে। তুলসী ও গঙ্গার জলের খবরটি পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসী রবীন্দ্র বাগাদ পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে বিশদে জানিয়েছেন।
এই ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যে গ্রামবাসীদের মধ্যে ভিড় জমে যায়। এরই মধ্যে, কেউ কেউ বয়স্ক বিশ্বনাথ পালকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। বিশ্বনাথকে নিয়ে পরিবারটি হাসপাতালে পৌঁছানো মাত্রই ডাক্তারের কথায় শুনে আনন্দে আত্মহারা হন পরিবারের সকলে। তিনি ঘোষণা করেন, “বাবা এখনও বেঁচে আছেন।” মুহূর্তের মধ্যে সকলে হেসে ওঠেন। ছেলে প্রায় আশাই ছেড়ে দিয়েছিল, কিন্তু বাবাকে শ্বাস নিতে দেখে তাঁর চোখেও আনন্দের জল চলে আসে। এখন জেলা হাসপাতালে তাঁর বাবার চিকিৎসা করাচ্ছেন ছেলে।
বিশ্বনাথ পালের ছেলে দয়াশঙ্কর পাল বলেন, “আমি বাড়ির বাইরে ছিলাম। হঠাৎ খবর পেলাম যে বাবা কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর হাত-পা-ও কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। বাড়ি ফিরে দেখি, সেখানে ভিড় জমেছে। পরিবারের সদস্যরা কাঁদছিলেন। এসব দেখে আমার মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে গেল। ধীরে ধীরে আমি বিশ্বাস করতে শুরু করলাম যে বাবা মারা গেছেন। তখন আমি হাসপাতালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। প্রাথমিক চিকিৎসার সময় বাবাকে জীবিত অবস্থায় পেয়ে সকলেই আনন্দিত।”
দয়াশঙ্কর বললেন, “হাসপাতালে পৌঁছানোর পর আমি যে আনন্দ পেয়েছিলাম তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। তা কেবল অনুভব করা যায়। যখন ডাক্তার হঠাৎ বললেন যে তিনি এখনও বেঁচে আছেন, আমি কিছুক্ষণের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার চোখ থেকে কেবল আনন্দের অশ্রু ঝরে পড়ছিল।”
(Feed Source: news18.com)
