
জীতু-শ্রাবন্তীর সিনেমার নেপথ্য গল্প
এই ছবির কাস্টিংয়ের পিছনে কী ভাবনা ছিল? পরিচালক সাই প্রকাশ লাহিড়ী বলছেন, ‘শ্রাবন্তী, জিতু এবং সত্যম, ৩ জনেই ভীষণ দক্ষ অভিনেতা। আমাদের সিনেমার জন্য যেমন চরিত্রদের দরকার ছিল, ওঁদেরই আমাদের সেরা বলে মনে হয়েছে। এই গল্পে ৩ বন্ধুর মধ্যে কেমিস্ট্রি থাকা জরুরি। আর ২ অভিনেতা অভিনেত্রীই সেই মান রেখেছেন। দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন নিজের নিজের চরিত্রে। কেউ বেশি বা কেউ কম বললে… বলতে পারব না। আর শুধু এই ৩ জন মুখ্যচরিত্রই নন, এই সিনেমায় বাকি যাঁরা অভিনয় করেছেন, রাহুল অরুণোদয়, চন্দন সেন, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়.. প্রত্যেকেই খুব ভাল অভিনেতা। খুব ভাল কাজ করেছেন সবাই। বাকিটা দর্শকদের ওপর, তবে আমরা আশাবাদী যে, দর্শকদের ছবিটা ভাল লাগবে।’
বর্তমানে বাংলা ছবির তৈরি করতে গেলে, ব্যবসার কথাও মাথায় রাখতে হয়। এই ছবি তৈরি করার আগে, মাথায় কী কী ছিল পরিচালকের? সাই প্রকাশ লাহিড়ী বলছেন, ‘ছবির নামই বলে দিচ্ছে যে, এই সিনেমা মানুষের গল্প বলছে। যে সমস্ত মানুষ সমাজে কোথাও না কোথাও অবহেলিত, এই ছবি তাদের না বলা কথাকেও তুলে নিয়ে আসবে। সেটাই এই সিনেমার অন্যতম আগ্রহ। বহুদিন ধরে এই সিনেমাটার পরিকল্পনা করে আসছি। সমস্ত বিষয়টাকে বাস্তবায়িত করার পথটা সহজ ছিল না। এর আগে সহ প্রযোজক হিসেবে কাজ করলেও, এটা আমাদের প্রথম একক প্রযোজনা। যে বাজেট নিয়ে কাজ করতে নেমেছিলাম, তার থেকে অনেকটাই বাজেট বেড়েছে। মানুষ আমাদের খাটনিটা পর্দায় দেখতে পাবেন। আমার বাবা বিশ্বজিৎ লাহিড়ী আগেি ঘোষণা করেছেন, এই সিনেমাটা একটা সামাজিক স্বার্থে বানানো। ছবি থেকে যা আয় হবে, সেটা আমাদের সত্য সাঁই সেবা ফাউন্ডেশনের ফান্ডে যাবে। সমাজে যাঁরা বিশেষভাবে সক্ষম, তাঁদের উন্নতির কাজেই ব্যয় হবে এই সিনেমার উপার্জন। যতটুকুই উপার্জন হোক না কেন, তার ৫০ শতাংশ আমরা বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের কাজেই ব্যবহার করব। ছবি থেকে লাভ হলে, পুরোটাই মানুষের কাজে ব্যয় হবে।’
(Feed Source: abplive.com)
