)
৪-১৮-১০-৪! পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে যে, ভুবনেশ্বর কুমার আজও কী করতে পারেন। নিজের রাজ্য়ের টি-২০ লিগে আগুন জ্বালিয়ে নির্বাচকদের কড়া বার্তা সুইং কিংয়ের
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: উত্তর প্রদেশ টি-২০ লিগে চতুর্থ মরসুম প্রায় শেষের পথে। গত বৃহস্পতিবার ভুবনেশ্বর কুমারের লখনউ ফ্যালকনস কানপুরে খেলল রিঙ্কু সিংয়ের মিরাট ম্যাভেরিকসের বিরুদ্ধে। মিরাটকে ৪৭ রানে হারিয়ে লখনউ এখন লিগের ফার্স্ট বয়। মিরাট টস জিতে লখনউকে ব্য়াট করতে পাঠিয়েছিল। ভুবনেশ্বররা প্রথমে ব্যাট করে ১৪৫ রান তুলেছিল। জবাবে রিঙ্কুর টিম ৯৮ রানে ৮ উইকেটে শেষ হয়ে যায়। গ্রিন পার্কের ফাস্ট ও বাউন্সি পিচে ভুবনেশ্বর দেখিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি কী করতে পারেন। ইনিংসের শুরুতেই রিঙ্কুদের শুইয়ে দিলেন। চার ওভারের স্পেলে মাত্র ১০ রান দিয়ে ৪ উইকেট (অক্ষয় দুবে, ঋতুরক শর্মা, দিব্যাংশ রাজপুত এবং দিব্যাংশ জোশী) তুলে নেন। ভুবির ইকোনমি রেট ছিল ২.৫০। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জার্সিতে পরপর দু’বছর আইপিএল জিতেছেন ভুবি। এই বছর দুর্দান্ত পারফর্মও করেছিলেন। ২৮ উইকেট নিয়েছিলেন। রাজ্য লিগেও কামাল করলেন মিরাটের ৩৬ বছরের পেসার। অনেকেই মনে করছেন যে, ২০২৭ বিশ্বকাপের দলে থাকতে পারেন ভুবি। চার বছর আগে শেষবার ভারতের জার্সিতে ওডিআই খেলা ভুবি যদিও দলে ফেরা না ফেরা নিয়ে আর ভাবিত নন। এই নিয়েই তিনি কথা বলেছেন। .
কী বলছেন ভুবনেশ্বর কুমার?
ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়ার প্রসঙ্গে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন ভুবনেশ্বর কুমার। তিনি বলেছেন, ‘দেখুন, আমি এখন বেশ শান্তিতে আছি এবং এর কৃতিত্ব আমার পরিবারের। বাড়িতে আমরা কখনই ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করি না। আমি কি আবার ভারতীয় দলে ফিরব, কেন আমাকে নেওয়া হয়নি বা কী ভুল হয়েছিল—এসব নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনও কথাই হয় না। এই বিষয়টি আমাকে মানসিক ভাবে স্থির থাকতে সাহায্য করেছে এবং আমার এই নিয়ে কোনও আক্ষেপ নেই। দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে যখন খেলতাম তখন সবাই বলত দলই সবার আগে। কিন্তু দল থেকে বাদ পড়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই মনে হয়, আমার হয়তো এখনও দলে থাকা উচিত ছিল। তবে আমি বুঝি যে খেলোয়াড়ি জীবনে এমন পরিবর্তন বা পালাবদল আসা স্বাভাবিক। প্রজন্ম বদলায়, এটাও আমি বুঝি। এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে আমিই প্রথম নই, আবার শেষও হব না। এক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা অনেক বড়। আমি এখন যেখানে আছি তাতেই খুশি। ভারতের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। এটা এমন কোনও লক্ষ্য নয় যা আমাকে নতুন করে অর্জন করতে হবে। যদি আবারও সুযোগ পাই, তবে তা দারুণ হবে। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা তো আমার আগেই হয়েছে। এখন আমি যা কিছু করছি, তা কেবল খেলার প্রতি ভালোবাসার কারণেই করছি। তরুণ বয়সে ভারতের হয়ে খেলার সময় আমরা বলতাম যে খেলাটাকে ভালোবাসি। কিন্তু নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিষয়গুলির উপর মনোযোগ দেওয়া, অতিরিক্ত চিন্তা না করা এবং ‘খেলার প্রতি আবেগের জায়গা থেকে খেলা—এই কথাগুলির প্রকৃত অর্থ আমি এখন বুঝতে পারছি। বিষয়গুলি আমি এখন সত্যিই অনুভব করতে পারি।’ ভুবি বুঝিয়েই দিলেন যে, তিনি জাতীয় দলে ডাক পাওয়া বা না পাওয়া নিয়ে আর ভাবিতই নন এখন। তিনি মনের আনন্দেই খেলে যাচ্ছেন ঘরোয়া ক্রিকেট।
(Feed Source: zeenews.com)
