
সামরিক কর্মকর্তা ও অসামরিক কর্মীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে, তাঁরা সংবাদমাধ্যমে কোনও গোপন তথ্য শেয়ার করেছেন কি না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুদ কমে যাওয়া সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তাঁরা প্রকাশ করেছেন কি না, সে বিষয়েও তদন্তকারীরা তাঁদের প্রশ্ন করেছিলেন।
পাল্টা-ক্ষেপণাস্ত্র বা ইন্টারসেপ্টর (যেমন—প্যাট্রিয়ট) ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র-সহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সব অস্ত্রের ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরে সাংবাদমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর অগাস্ট মাসে এই পরীক্ষা চালানো হয়। জয়েন্ট স্টাফের অধীনে ১,৫০০ থেকে ২,০০০ আধিকারিক ও কর্মী কর্মরত রয়েছেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে বলেছেন যে, এই ডিপার্টমেন্ট “অভ্যন্তরীণ কর্মী বা তদন্ত-সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও মন্তব্য করে না, তবে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গোপনীয় তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং সেই অনুযায়ী তদন্ত চালায়।”
ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ফের শুরু হয়েছে যুদ্ধ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, ইরানে তারা আঘাত হেনেছে। হরমুজ প্রণালীতে প্রথমে জাহাজে আক্রমণ করেছিল ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সদস্যের উপরেও ইরান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। আর তারই পাল্টা জবাব দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও।
এই যুদ্ধের আবহে ইরানকে বড় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংঘাতিক আক্রমণ হতে চলেছে ইরানের উপর। অত্যন্ত শক্তিশালী আক্রমণ হবে ইরানের উপর, এই হুঁশিয়ারি দিয়েই তেহরানকে সতর্ক করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রুথ সোশ্যাল – এ পোস্ট করে ইরানকে হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সমাজমাধ্যমের ওই বার্তায় ট্রাম্প লেখেন, হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের টার্গেটগুলির উপর আমেরিকার তরফে হামলা করা হয়েছে। হরমুজ প্রণালী সংলগ্ন এলাকায় সমুদ্রে ‘সি মাইন’ পেতে রাখার চেষ্টা করেছিল ইরান। কিন্তু সেগুলির কিছুই আর সেখানে নেই। সবই সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ইরানের এই অসফল পদক্ষেপের পাল্টা জবাব দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
(Feed Source: abplive.com)
