
‘শেষ অবধি’-র গল্প এক বাবা-ছেলের
বাবা এবং ছেলের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যায় গল্প। নৈশব্দ, আঘাত, ভালবাসা এবং শিল্পের মিশেলে এগিয়ে যাবে সিনেমার গল্প। বিভিন্ন চরিত্রদের আবেগের সুতোয় বাঁধা এই গল্প, ‘শেষ অবধি’। এই গল্পে শিল্প একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শিল্প, স্মৃতি এবং পুরনো শিল্পকে নিয়েই এগিয়ে যাবে সিনেমার গল্প। শুধু মানুষ নয়, মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গল্পকেই তুলে ধরবে এই সিনেমা। ছবিটির ২টি ভাগ, একটি বর্তমান ও একটি অতীত। অ্যাঞ্জেল ক্রিয়েশনের ব্যানারে মুক্তি পাওয়ার কথা এই সিনেমার। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে সিনেমার শ্যুটিং।
সিনেমাটা নিয়ে, পরিচালক সৌরভ পালোধি বলছেন, ‘এই ছবিটি বানানোর মূল কারণ হল, বিশেষ করে সৃষ্টিশীল মানুষের মধ্যে ইগো বা অহংকার কীভাবে সম্পর্কের ভুল বোঝাবুঝি মেটাতে সামনাসামনি কথা বলতে বাধা দেয়, তা তুলে ধরা। ইগোর কারণে মনের কথা চেপে রাখা সত্ত্বেও গল্পের প্রতিটি চরিত্রের মধ্যে অন্তত একবার মুখোমুখি বসে কথা বলার এক প্রবল তাগিদ ও আকুলতা কাজ করে।’ দুই শিল্পী, তাঁদের ২ জনের অহংবোধ এবং সেই অহংবোধের কারণে তৈরি হওয়া দূরত্ব ফুটে উঠবে ছবির গল্পে। এই গল্পে রয়েছে এক ভাল পিসি, যে বাবা ও ছেলের মধ্যের সেতু। পুরুলিয়ার থাকে এক প্রবীণ শিল্পী এবং তার ছেলে চলে এসেছে শহরে.. এই হল ছবির প্রেক্ষাপট। অনেক সময়েই মানুষের গল্প মানুষকে বলা হয় না, ‘সরি’ বলা হয় না… সেই সমস্ত ছোট ছোট আবেগই ফুটে উঠবে গল্পে।
(Feed Source: abplive.com)
