
ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে বহু
ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার বিষয়ে ইতিমধ্য়েই মুখ খুলেছেন পেশোয়ারের ডেপুটি কমিশনার আফাক ওয়াজির। তিনি জানিয়েছেন AI Khair স্কুলের ছাদ ভেঙে পড়ে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বহু স্কুলপড়ুয়া ধংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে যায়। মূলত, ক্লাস চলাকালীন এই দুর্ঘটনা ঘটার পরই এই ভয়ঙ্কর পরিণতি তৈরি হয়।
অভিভাবকরা কী বলছেন ?
আহত এক স্কুলছাত্রীর বাবা জানিয়েছেন, সকাল ৮.৫০ নাগাদ তার কাছে স্কুলের ছাদ ভেঙে পড়ার ফোন আসে। মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যান তিনি। সেখানে গিয়ে দেখেন, বহু ছাত্র-ছাত্রী ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে গেছে। তাদের মধ্যে তিনি নিজেই ৭-৮ বছরের তিনজন ছাত্রীকে উদ্ধার করেন। তাঁর বাড়ির ৬জন পড়ুয়া ওই স্কুলে পড়ে।
আরও একজন অভিভাবক জানিয়েছেন, তিনি ভেবেছিলেন দোতলার ছাদ ভেঙে পড়ায় তার সন্তানও মারা গেছে। যদিও পরে নিজের সন্তানকে খুঁজে পান তিনি। জানতে পারেন, ছাদ ভেঙে পড়ার সময় বাইরে জল খেতে বেরিয়েছিল তার সন্তান।
এর আগে দক্ষিণ দিল্লির সত্য় নিকেতনের ছাত্রাবাসে ভেঙে পড়েছিল বহুতল। ভিতরে আটকে পড়েছিলেন একাধিক পড়ুয়া। ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে ফোন করে বাঁচার আকুতি জানিয়েছিলেন ছাত্র। এই ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যু হয়। উদ্ধার করা হয় অন্তত ১১ জনকে। এবার এক মাসের মধ্য়ে পিরে এল সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি। যা এলাকাবাসীদের মধ্যে আরও চিন্তা বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ।
দিল্লির দক্ষিণে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার কাছাকাছি সত্য নিকেতনে ভেঙে পড়ে প্রায় ৪০-৫০ বছরের পুরনো একটি বহুতল বাড়ি। সেটি ‘Hostel Daze’ নামে ছাত্রদের PG হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। পুলিশের জানায়, বাড়িটির নীচের অংশে নির্মাণ বা মেরামতির কাজ চলছিল। দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিট নাগাদ আচমকাই ভেঙে পড়ে বাড়িটি। মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন একাধিক পড়ুয়া।
(Feed Source: abplive.com)
