Headline
এখানে প্রকাশিত বেশ কিছু সংবাদ অন্য ভাষা থেকে বাংলায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে অনুদিত, তাই ভাষান্তরে বানান ও অন্যান্য ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনীয়।
Historical Site: সময়ের ‘বিচারে’ ভেঙে পড়ছে ব্রিটিশদের আদালত, দাঁতন মুন্সেফ কোর্ট আজ জরাজীর্ণ! ইতিহাস বাঁচাতে কী চাইছেন স্থানীয়রা?
Historical Site: সময়ের ‘বিচারে’ ভেঙে পড়ছে ব্রিটিশদের আদালত, দাঁতন মুন্সেফ কোর্ট আজ জরাজীর্ণ! ইতিহাস বাঁচাতে কী চাইছেন স্থানীয়রা?

Historical Site:  দাঁতনে ঐতিহাসিক মুন্সেফ কোর্ট ভবন আজ চরম অবহেলিত। সময়ের নিয়মে খসে পড়ছে ছাদ, আগাছায় ঢেকেছে গোটা দেওয়াল। বিলীন হতে বসেছে ১৮০ বছরের পুরনো মুন্সেফ কোর্ট ভবন। ব্রিটিশ আমলের বিচার ব্যবস্থার সাক্ষী এই ভবনটি সংরক্ষণের দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী। দাঁতন, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: খসে পড়ছে চুনবালি, ইটের খাঁজে শিকড় গেড়েছে অশ্বত্থ-বট। দেওয়ালে কান পাতলে যেন আজও ভেসে আসে পক্ষে-বিপক্ষের ধারালো সওয়াল, বিচারের নামে ঔপনিবেশিক অত্যাচারের চাপা কান্না আর বিনা প্ররোচনায় মামলার স্মৃতি। কালের নির্মম নিয়মে ক্রমশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে…

Read More

বিচার বিভাগীয় সক্রিয়তা শান্তি স্থাপনকারীর মতো এবং বিচারিক বাড়াবাড়ি হস্তক্ষেপকারীদের মতো: প্রাক্তন সিজেআই রঞ্জন গগৈ
বিচার বিভাগীয় সক্রিয়তা শান্তি স্থাপনকারীর মতো এবং বিচারিক বাড়াবাড়ি হস্তক্ষেপকারীদের মতো: প্রাক্তন সিজেআই রঞ্জন গগৈ

তিনি বলেন, “কখন পরিবর্তনের জন্য অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে হবে এবং কখন স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে হবে তা নির্বাচন করা বিচার বিভাগের অপরিসীম দায়িত্বকে বোঝায়। এই প্রেক্ষাপটে ‘জুডিশিয়াল অ্যাক্টিভিজম’ এবং ‘জুডিশিয়াল এক্সেস’ এর মধ্যে পার্থক্যটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। গৌহাটি হাইকোর্টের ৭৬তম প্রতিষ্ঠা দিবসে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। রাজ্যসভার সদস্য বিচারপতি গগৈ বলেছেন, “বিচারিক সক্রিয়তা বিচারিক বাড়াবাড়ির মতো নয়।” প্রথমটি শান্তি স্থাপনকারী এবং দ্বিতীয়টি হল অনুপ্রবেশকারী। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত সম্পদ ও কর্মীসমৃদ্ধ একটি কার্যকরী বিচার বিভাগ…

Read More

লিঙ্গ বৈষম্য ঘোচাতে Handbook, ‘পরকীয়া’, ‘গৃহবধূ’, ‘পবিত্র নারী’ লিখতে পারবে না আদালত
লিঙ্গ বৈষম্য ঘোচাতে Handbook, ‘পরকীয়া’, ‘গৃহবধূ’, ‘পবিত্র নারী’ লিখতে পারবে না আদালত

নয়াদিল্লি: লিঙ্গ বৈষম্য নিয়ে প্রতিবাদ চলছে দিকে দিকে। কিন্তু সমাজ-সংসারের গতিপথ নির্ধারণ করে যে আদালত, সেই আদালতই ত্রুটিমুক্ত নয়। টিকা-টিপ্পনি করা হোক বা রায়দান, অনেক সময় আদালত থেকেও যৌনগন্ধী মন্তব্য় ভেসে আসে। সেই ভুল সংশোধনে এবার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করলে দেশের সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court Handbook)। প্রকাশ করা হল বিশেষ সারগ্রন্থ, যাতে কোন কোন শব্দ আদালতের অনুপযুক্ত, তা লিপিবদ্ধ রয়েছে। (Combat Gender Stereotypes) বুধবার ওই সারগ্রন্থ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। তিনি বলেন, “আদালতও অনেক সময় গতানুগতিক শব্দ চয়ন…

Read More