Headline
এখানে প্রকাশিত বেশ কিছু সংবাদ অন্য ভাষা থেকে বাংলায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে অনুদিত, তাই ভাষান্তরে বানান ও অন্যান্য ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনীয়।
‘স্ত্রী’র সঙ্গে ঝামেলা, বদলা নিতে রিহ্যাব সেন্টারে পাঠানোর ছক স্বামীর’
‘স্ত্রী’র সঙ্গে ঝামেলা, বদলা নিতে রিহ্যাব সেন্টারে পাঠানোর ছক স্বামীর’

মনোরোগী সাজিয়ে এক প্রৌঢ়াকে তাঁর বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে সল্টলেকের আইএ ব্লকে। বৃহস্পতিবার প্রৌঢ়াকে তাঁর বাড়ির দোতলার ছাদ থেকে চ্যাংদোলা করে নামিয়ে আনা হয়। সাহায্যের জন্য চিৎকার চেঁচামেচি করেন ওই প্রৌঢ়া। তিনি রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে কর্মীদের হাতে কামড়ও বসান। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি। বাড়ি থেকে নিচে নামিয়ে এনে সোজা গাড়িতে তুলে ওই প্রৌঢ়াকে নিয়ে যাওয়া হয় রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে। যদিও পুলিশের তৎপরতায় রক্ষা পান ওই প্রৌঢ়া। ঘটনায় তিনি তাঁর স্বামী অরুণ মালাসের বিরুদ্ধে…

Read More

ছিনতাই করতে এসে বৃদ্ধার কান ছিঁড়ে নিল দুষ্কৃতীরা, ভয়ঙ্কর কাণ্ড!
ছিনতাই করতে এসে বৃদ্ধার কান ছিঁড়ে নিল দুষ্কৃতীরা, ভয়ঙ্কর কাণ্ড!

হুগলি: নববর্ষের দিন সকালে হাড়হিম করা ঘটনার সাক্ষী হুগলির হিন্দমোটর। সোনার কানের দুল ছিনতাই করতে এসে বৃদ্ধার কান কেটে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে হিন্দমোটরের তেঁতুলতলা এলাকায়। ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন নাগরিকরা। স্থানীয় সুত্রে খবর, নববর্ষের দিন ভোরে বাড়ির সামনে ফুল তুলছিলেন বছর ৬৬-র কমলা সেন। হিন্দমোটর তেঁতুলতলা এলাকায় বাড়ি ওই বৃদ্ধার। ওই দিন ভোরে দুই দুষ্কৃতী বাইক নিয়ে আসে, মুখে গামছা বাঁধা ছিল তাদের। বৃ্দ্ধাকে পিছন থেকে…

Read More

ইচ্ছেটাই তো আসল কথা! ১০৮ বছর বয়সে পড়াশোনা করে পরীক্ষায় ফার্স্ট! বিরাট সাফল্য
ইচ্ছেটাই তো আসল কথা! ১০৮ বছর বয়সে পড়াশোনা করে পরীক্ষায় ফার্স্ট! বিরাট সাফল্য

কেরল: নাম কমলাক্কানি৷ বয়স, আনুমানিক ১০৮ বছর৷ জন্ম, ১৯১৫ সাল৷ পেশা ছোট এলাচের খেতের শ্রমিক৷ পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ১০০ -র মধ্যে ৯৭৷ পড়াশোনা আজকালকার প্রজন্মের অনেকাংশের কাছেই এখন জলভাতের মতো৷ নামী স্কুল, ততোধিক দামী বই, খাতা, ইউনিফর্ম৷ এই প্রজেক্ট, সেই প্রজেক্টে মুড়ি মুড়কির মতো টাকা খরচ৷ তা সত্ত্বেও পড়াশোনা করার, শেখার ইচ্ছেটা চোখে পড়ে হাতে গোনা মানুষের মধ্যে৷ বেশিরভাগেরই দৌড় ওই নম্বর আর কেরিয়ারের দিকে৷ কিন্তু, জীবনের প্রায় শেষ সীমায় দাঁড়িয়ে কমলাক্কানিরা আর কিছুই চাননা৷ চান শুধু শিখতে৷ লেখাপড়া…

Read More