
কেকেআর-সানরাইজার্স ম্যাচ তখন চলছিল ইডেনে। জমজমাট আইপিএলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছিল দুই দলের। ওদিকে, ইডেনের ১১ নম্বর বক্সে বসে তখন জীবনের ইনিংস সাজাতে ব্যস্ত ছিলেন দিলীপ ঘোষ, রিঙ্কু মজুমদার।
কলকাতা: কেকেআর-সানরাইজার্স ম্যাচ তখন চলছিল ইডেনে। জমজমাট আইপিএলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছিল দুই দলের। ওদিকে, ইডেনের ১১ নম্বর বক্সে বসে তখন জীবনের ইনিংস সাজাতে ব্যস্ত ছিলেন দিলীপ ঘোষ, রিঙ্কু মজুমদার। কেকেআরের সেই ম্যাচ, ইডেনের বক্স তাঁদের জন্য পয়া হয়ে গেল! ওখানেই জীবনের সেরা ইনিংস খেলার প্রস্তুতি সেরে ফেললেন দিলীপ ঘোষ।
কিছুটা ঠোঁটকাটা তিনি। অনেকে বলেন, ‘দিলীপদার যা মনে, তাই মুখে। সোজাসাপ্টা মানুষ।’ রাজনীতির মাঠে নামলে তিনি সব সময় খেলেন স্টেপ আউট করে। উল্টোদিকে কে আছে, তা তোয়াক্কা করেন না তিনি। এহেন দাপুটে দিলীপ ঘোষ আউট রিঙ্কু মজুমদারের বিয়ের প্রস্তাবে।
৩ এপ্রিল ইডেনে আইপিএলে কেকেআরের ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ, রিঙ্কু মজুমদার। এমনকী বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের হবু শ্বশুরবাড়ির লোকজনও নাকি সেদিন ছিলেন সেখানে। তখনই বিয়ের পাকা কথা হয়। সেই ম্যাচের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দিলীপ ঘোষ ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়েরও একটি ছবি ভাইরাল হয়।
দিলীপের হবু স্ত্রী বিবাহবিচ্ছিন্না। তাঁর ২২ বছর বয়সী এক পুত্রসন্তান রয়েছে। দিলীপ ঘোষের জীবন রাজনীতিতে আবর্তিত। নিজেকে সঁপে দিয়েছেন রাজনীতিতে। তবে দিলীপ ঘোষের মা চেয়েছিলেন, ছেলে যাতে বিয়ে করে সংসারী হয়! আর রিঙ্কু চেয়েছিলেন, ভরসা করা যায় এমন কারও সঙ্গে জীবনের বাকি সময়টা থাকতে! দিলীপ ঘোষকে তাই তিনিই নাকি বিয়ের প্রস্তাবটা দেন। দিলীপ ঘোষ ৩ মাস সময় চেয়ে নেন। তার উপর উত্তর আসে, হ্যাঁ।
দিলীপ ঘোষ চাননি, বিষয়টি জানাজানি হোক। তবে এমন সুখবর কী আর চাপা থাকে! বৃহস্পতিবার সেই খবর ছড়াল দাবানলের মতো। কেউ আড়ালে হাসলেন, কেউ অবাক হলেন, কেউ আবার দিলীপ ঘোষের নতুন জীবনের সিদ্ধান্ত নিয়ে আশাবাদী হলেন। তবে দিলীপ ঘোষ এবারও খেললেন স্টেপ আউট করে। যেমন তিনি রাজনীতির মাঠে খেলেন, সাহসী ইনিংস।
