৩ ঘণ্টা ঘুমোতেন মা, বাবা ছেড়ে দিয়েছিলেন কাজ! বৈভবের কাহিনি চমকে দেওয়ার মতো

আইপিএলে হইচই ফেলে দিয়েছিল বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ১৪ বছর ২৩ দিন বয়সে আইপিএলে অভিষেক হয়েছিল বিহারের ক্রিকেটারের। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার।

বৈভব ব্যাট হাতেও রেকর্ড গড়ল। ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করল।

বৈভব ব্যাট হাতেও রেকর্ড গড়ল। ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করল।

আইপিএলে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসাবে সেঞ্চুরি করল বৈভব। গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে তার ইনিংস সাজানো ছিল ৭ চার ও ১১ ছক্কায়।

আইপিএলে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসাবে সেঞ্চুরি করল বৈভব। গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে তার ইনিংস সাজানো ছিল ৭ চার ও ১১ ছক্কায়।

মাত্র ৩৫ বলে সেঞ্চুরি। আইপিএলে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরি। বৈভব ভেঙে দিল ইউসুফ পাঠানের রেকর্ড।

মাত্র ৩৫ বলে সেঞ্চুরি। আইপিএলে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরি। বৈভব ভেঙে দিল ইউসুফ পাঠানের রেকর্ড।

আইপিএলে ইতিহাস গড়ে বৈভব কৃতজ্ঞতা জানাল তার বাবা-মাকে। বৈভব বলেছে, 'আমি যা হয়েছি, তা আমার বাবা-মায়ের জন্য।'

আইপিএলে ইতিহাস গড়ে বৈভব কৃতজ্ঞতা জানাল তার বাবা-মাকে। বৈভব বলেছে, ‘আমি যা হয়েছি, তা আমার বাবা-মায়ের জন্য।’

বৈভব আরও বলেছে, 'আমার প্র্যাক্টিসের জন্য মা রাত এগারোটায় ঘুমোতে যাওয়ার পরেও রাত ২টোয় উঠে পড়ত। মেরেকেটে ৩ ঘণ্টা ঘুমোত। তারপর আমার জন্য খাবার তৈরি করত।'

বৈভব আরও বলেছে, ‘আমার প্র্যাক্টিসের জন্য মা রাত এগারোটায় ঘুমোতে যাওয়ার পরেও রাত ২টোয় উঠে পড়ত। মেরেকেটে ৩ ঘণ্টা ঘুমোত। তারপর আমার জন্য খাবার তৈরি করত।’

image 7

image 7

বৈভবের কথায়, 'আমার বাবা নিজের কাজ ছেড়ে দিয়েছিল আমার পাশে থাকবে বলে। আমার দাদা বাবার কাজ সামলাত। অনেক কষ্টে সংসার চলত। তবে বাবা আমাকে উৎসাহ দিয়ে যেত।'

বৈভবের কথায়, ‘আমার বাবা নিজের কাজ ছেড়ে দিয়েছিল আমার পাশে থাকবে বলে। আমার দাদা বাবার কাজ সামলাত। অনেক কষ্টে সংসার চলত। তবে বাবা আমাকে উৎসাহ দিয়ে যেত।’

বৈভব জানিয়েছে, কঠোর পরিশ্রমেরই পুরস্কার পাচ্ছে। তার কথায়, ‘আমি যতটুকু সাফল্য পেয়েছি, সেটা আমার বাবা-মায়ের জন্য।’

বৈভব জানিয়েছে, কঠোর পরিশ্রমেরই পুরস্কার পাচ্ছে। তার কথায়, ‘আমি যতটুকু সাফল্য পেয়েছি, সেটা আমার বাবা-মায়ের জন্য।’

বৈভব বলেছে, ‘অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতের হয়ে খেলার সময় ও ঘরোয়া ক্রিকেটেও আমি প্রথম বলে ছক্কা মেরেছি। প্রথম দশ বলে আমি কোনও স্নায়ুর চাপ টের পাইনি।’

বৈভব বলেছে, ‘অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতের হয়ে খেলার সময় ও ঘরোয়া ক্রিকেটেও আমি প্রথম বলে ছক্কা মেরেছি। প্রথম দশ বলে আমি কোনও স্নায়ুর চাপ টের পাইনি।’

(Feed Source: abplive.com)