ঝোড়ো অর্ধশতরান অভিষেকের, জয় হাদরাবাদের, প্লে অফের দৌড়ে থেকে ছিটকে গেলেন পন্থরা

ঝোড়ো অর্ধশতরান অভিষেকের, জয় হাদরাবাদের, প্লে অফের দৌড়ে থেকে ছিটকে গেলেন পন্থরা

লখনউ: ২০৫ রান বোর্ডে তুলে নিয়েছিল তারা। কিন্তু তবুও শেষরক্ষা হল না। শুরুতে যে ঝড়টা প্রয়োজন ছিল, সেই ঝড়টাই তুললেন অভিষেক শর্মা। যার সুবাদে ম্য়াচ থেকেই ধীরে ধীরে হারিয়ে গেল লখনউ। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেও হার। ৬ উইকেটে ম্য়াচ জিতে নিল প্যাট কামিন্সের দল। ঝোড়ো অর্ধশতরান হাঁকালেন অভিষেক শর্মা। আর হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হেরে প্লে অফের দৌড় থেকে এবারের মত ছিটকে গেল লখনউ সুপারজায়ান্টস।

দুশোর বেশি রান তাড়া করতে নামলে প্রথমেই একটা বড় পার্টনারশিপের প্রয়োজন হয়। এদিন হায়দরাবাদের জার্সিতে অভিষেকের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন তরুণ অথর্ব তাইডে। ট্রাভিস হেড করোনা আক্রান্ত হওয়ায় অথর্ব নেমেছিলেন। ৩টি বাউন্ডারির সাহায্য়ে ৯ বলে ১৩ রানের ইনিংস খেলে প্যাভিলিয়ন ফেরেন অথর্ব। উইলিয়াম ও রুরকি তাঁকে ফিরিয়ে দেন। তবে ঈশান কিষাণ এসে যোগ্য সঙ্গ দেন অভিষেককে। দুই বাঁহাতি মিলে চালিয়ে খেলে দলের স্কোরবোর্ড সচল রাখছিলেন। অভিষেক ছিলেন বেশি মারমুখি। মাত্র ১৮ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত দ্বিগ্বেশ রাঠির বলে ক্যাচ আউট হওয়ার সময় তাঁর নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে ২০ বলে ৫৯ রান। নিজের ইনিংসে ৪টি বাউন্ডারি ও ৬টি ছক্কা হাঁকান তিনি। ঈশানও ২৮ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন। এই দুজন ফিরে যাওয়ার পর হায়দরাবাদের জয় নিশ্চিত করেন হেনরিক ক্লাসেন ও কামিন্দু মেন্ডিস। প্রোটিয়া তারকা ২৮ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন চারটি বাউন্ডারি ও ১টি ছক্কার সাহায্য়ে। অন্য়দিকে কামিন্দু তিনটি বাউন্ডারির সাহায্য়ে ২১বলে ৩২ রান করার পর চোটের জন্য মাঠ ছাড়েন। তবে তাতে কোনও সমস্যা হয়নি হায়দরাবাদের। নীতীশ রেড্ডি নেমে ম্য়াচ জিতিয়ে দেন দলকে।

আইপিএলে এর আগে কেকেআর, সিএসকে, হায়দরাবাদ ও রাজস্থান প্লে অফের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছিল। এবার পঞ্চম দল হিসেবে লখনউ ছিটকে গেল প্লে অফের দৌড় থেকে। ১২ ম্য়াচে তাঁদের ঝুলিতে ১০ পয়েন্ট। বাকি দুটো ম্য়াচ জিতলেও ১৪ পয়েন্টেই শেষ করতে পারবে লখনউ। তা প্লে অফে ওঠার পক্ষে একেবারেই পর্যাপ্ত নয়। এই পরিস্থিতিতে বর্তমানে পয়েন্ট টেবিলের যা সমীকরণ, তাতে মুম্বই ও দিল্লিই একমাত্র প্লে অফে জায়গা করে নেওয়ার দৌড় থাকছে।

(Feed Source: abplive.com)