বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে ‘সিতারে জমিন পর’ দেখলেন কোয়েল, খুঁজে পেলেন আরেক কোয়েলকে!

বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে ‘সিতারে জমিন পর’ দেখলেন কোয়েল, খুঁজে পেলেন আরেক কোয়েলকে!

কলকাতা: ‘সিতারে জমিন পর’ (Sitaare Zameen Par) ছবিতে তুলে ধরা হয়েছিল বিশেষ সম্পন্ন কিছু মানুষের কথা। যাঁদের সমাজ হয়তো আর পাঁচটা মানুষের মতো সমান নজরে দেখে না, কিন্তু তাঁদের নিজস্ব একটা জগৎ রয়েছে, নিজস্ব জীবন রয়েছে, নিজের নিজের গল্প রয়েছে। বাস্কেট বল খেলার আধারে জীবনের এক অসাধারণ শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আমির খান (Amir Khan)। তিনিই এই ছবিতে মুখ্যভূমিকায় অভিনয় করেছেন। তাঁর চরিত্রের নাম গুলশন। গুলশন আর তাঁর বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষদের নিয়ে তৈরি এক বাস্কেট বল টিম-এর লড়াইয়ের গল্প এই ছবি। ‘সিতারে জমিন পর’। আর নতুন এই সিনেমার একটি বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল কলকাতায়। শহরের একটি শপিং মলের সিনেমাহলে আয়োজন করা হয়েছিল এই স্ক্রিনিংয়ের।

এদিনের স্ক্রিনিংয়ে হাজির ছিলেন ২০০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিছু শিশু ও কিশোর কিশোরীরা। আর তাঁদের সঙ্গেই বসে সিনেমা দেখলেন টলি অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick)। সিনেমা দেখার পরে তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, কিশোর কিশোরীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি এমন এক কিশোরীকে পেয়ে যান, যাঁর নাম ও কোয়েল। ভালবেসে তাঁকে কাছে টেনে নেন কোয়েল। সবার সঙ্গেই কথা বলেন, সেলফির আবদার মেটান। শিশু, কিশোর কিশোরীরাও কোয়েলকে তাঁদের মধ্যে পেয়ে খুব খুশি।

এদিন কোয়েল বলেন, ‘সিনেমা এমন একটা মাধ্যম, যেখানে সামাজিক বার্তা সবচেয়ে সহজে এবং সবচেয়ে তাড়াতাড়ি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। ‘সিতারে জমিন পর’ ছবিটা অর্টিজেম নিয়ে, অটিস্টিক বাচ্চাদের নিয়ে, এর আগে ‘তারে জমিন পর’ ছিল ডিস্লেক্সিয়া নিয়ে.. এই বিষয়গুলো ভীষণ সংবেদনশীল। সেগুলো নিয়ে যে ছবি তৈরি করেছেন, সেটার জন্য আমির খানকে সাধুবাদ। আশা করছি এই সিনেমাটা দেখে অনেকে আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠবেন। আর যাঁদের বাড়িতে বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন শিশু রয়েছে, তাঁরা হয়তো আরও বেশি করে বুঝতে পারবেন। অনেক সময় দেখা যায়, বাচ্চা সবার থেকে আলাদা ব্যবহার করলে, কিছু আলাদা করলে বাবা মা সেটা মানতে চান না। বলেন এটা কিছু নয়। কিছুদিন পরেই ঠিক হয়ে যাবে। এমন করতে করতে হয়তো সময়টা অনেকটা পেরিয়ে যায়। এই ছবিটা দেখে হয়তো তাঁরা বুঝতে পারবেন যে ছোট বয়স থেকেই যদি কিছু জিনিসের ওপর নজর দেওয়া যায়, তাহলে অনেক ছোট বয়স থেকেই বাচ্চাদের স্বাভাবিক হতে সাহায্য করা যাবে।’

(Feed Source: abplive.com)