
হেমা মালিনী সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি ভীষণ ভীষণ গর্বিত যে ভারতীয় সিনেমায় ধরমজীর অবদানের জন্য ভারত সরকার তাঁকে পদ্মবিভূষণ সম্মান দেওয়ার জন্য মনোনীত করেছেন। সম্মানীয় পদ্মবিভূষণ সম্মান দেওয়া হল তাঁকে।’ প্রসঙ্গত, রবিবার সন্ধ্যায়, ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে সঙ্গে, সতীশ শাহকেও মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মান দেওয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালই বিনোদন দুনিয়া থেকে কেড়ে নিয়েছে ২ নক্ষত্রকে। ধর্মেন্দ্র আর সতীশ শাহকে। ১৯৩৫ সালে পঞ্জাবে জন্ম হয় ধর্মেন্দ্রর। ১৯৬০ সালে কেরিয়ার শুরু করেন ধর্মেন্দ্র। নিজের জোরেই রুপোলি পর্দায় নিজের জায়গা পাকা করে নিয়েছিলেন তিনি।
প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে ‘পদ্ম পুরস্কারে’র ঘোষণা করা হয়েছে আজ। ‘পদ্মবিভূষণ’, ‘পদ্মভূষণ’, ‘এবং পদ্মশ্রী’, ১৩১ জনকে এই তিন পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। আর সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে নাম রয়েছে ১১ জনের। পশ্চিমবঙ্গের ১১জনকে ‘পদ্মশ্রী পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত। বাংলা চলচ্চিত্র জগতের উজ্জ্বলতম তারকা, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ‘পদ্মশ্রী পুরস্কার’ পাচ্ছেন। বিনোদন জগতে অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানিত করা হচ্ছে তাঁকে। পাশাপাশি তালিকায় রয়েছেন আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুণী মানুষেরা। তবে বাংলাকে সেই ‘পদ্মশ্রী’ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। ‘পদ্মবিভূষণ’, ‘পদ্মভূষণ’ অধরাই রইল।
প্রসেনজিৎ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ থেকে ‘পদ্মশ্রী পুরস্কার’ পাচ্ছেন চিকিৎসক সরোজ মণ্ডল। শিক্ষা ও সাহিত্য বিভাগে ‘পদ্মশ্রী পুরস্কার’ পাচ্ছেন অশোক কুমার হালদার, মহেন্দ্রনাথ রায়, রবিলাল টুডু, গম্বীর সিংহ। শিল্পকলায় ‘পদ্মশ্রী পুরস্কার’ পাচ্ছেন হরিমাধব মুখোপাধ্য়ায়, জ্যোতিষ দেবনাথ, কুমার বসু, তরুণ ভট্টাচার্য এবং তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়। তবে বাংলা থেকে ১১ জনকে ‘পদ্ম পুরস্কারে’র জন্য বেছে নেওয়া হলেও, এবারও রাজ্য থেকে ‘পদ্মবিভূষণ’ বা ‘পদ্মভূষণ’ পেলেন না কেউ। সকলেই ‘পদ্মশ্রী’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত। সাহিত্য, শিক্ষা, শিল্পকলা, চিকিৎসা, ব্যবসা, সমাজসেবা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে যুক্ত ১৩১ জন গুণী মানুষকে ‘পদ্ম পুরস্কারে’র জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে এবার। এর মধ্যে ‘পদ্মবিভূষণ’ পাচ্ছেন পাঁচ জন, ‘পদ্মভূষণ’ পাচ্ছেন ১৩ জন, ১১৩ জন পাচ্ছেন ‘পদ্মশ্রী’।
(Feed Source: abplive.com)
