
চলতি বছরের ৩ মাস নোরা ফতেহি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করে নিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন যে, মানুষ শোনা এবং বোঝার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলেছে। নোরার কথায়, ‘স্কুলের দিনগুলোতে আমাদের শেখানো হত, কোনও কথা মনোযোগ দিয়ে শোনো, তারপরে সেটা বোঝার চেষ্টা করো, তারপরে ভালমন্দ বিচার করো। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে মানুষজন কিছু না ভেবে, কিছু ভাবনার চেষ্টা না করেই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফেলেন। কেউ কোনও কথা শুনে ভাবতে চায় না, কথার গভীরে যেতে চায় না। তাঁরা কিছু শুনেই দ্রুত মতামত তৈরি করে, একে অন্যকে আক্রমণ করতে শুরু করে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ভিডিওতে তিনি বলেছেন, ‘যদি কোনও ব্যক্তি পৃথিবীতে শান্তির কথা বলেন এবং তাতেও যদি কারও সমস্যা হয়, তবে তাঁর একবার আয়নার সামনে দাঁড়ানো উচিত, ভাবা উচিত নিজেকে নিয়ে। প্রতিটা দেশ, প্রতিটা মানুষই এই পৃথিবীর অংশ। যদি কেউ বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলে, তবে এতে ভুলটা কোথায়? তিনি আরও বলেন, যখন তিনি ‘বিশ্ব শান্তি’র কথা বলেছিলেন, তখন তিনি কোনও একটি দেশ, ধর্ম বা সম্প্রদায়ের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য কথা বলছিলেন। এতে যদি কারও সমস্যা হয়, তাহলে সেটা যিনি শুনছেন তাঁর সমস্যা, যিনি বলছেন, তাঁর সমস্যা নয়।
নোরা ভিডিওর শেষে বলেন, তিনি রোজা ভাঙতে যাচ্ছিলেন আর সেই সময়ে ভাবছিলেন, এমন একটা পৃথিবীতে তিনি বসবাস করছেন, যেখানে মানুষ শান্তির কথা বললেও রেগে যায়। তিনি এই পরিস্থিতিকে ভীতিকর বলেছেন। তবে মানুষের অন্তত মানবতার খাতিরে এক হওয়া উচিত। ট্রোলিং সম্পর্কে নোরা স্পষ্ট করে বলেছেন যে, তিনি তাঁর অবস্থান থেকে সরবেন না। সে যতই যা বলুক না কেন, তিনি শান্তি আর ঐক্যের কথাই বলবেন।
(Feed Source: abplive.com)
