
Jeetu vs Saayoni: এরকম স্বার্থপর এবং সুবিধাবাদী মানুষের অবান্তর মন্তব্যের আর উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না, জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ৷
জিতুকে নিয়ে এ কী বললেন সায়নী?
কলকাতা: টলিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয়ের অকাল প্রয়াণের পর তাঁর বন্ধু ও সহকর্মীদের ডাকা মিছিলে যিনি শোক প্রকাশের থেকে বেশি নিজের ছবি হাতে নিয়ে মিডিয়ার ফুটেজ খাওয়াতে বেশি আগ্রহী ছিলেন, এরকম স্বার্থপর এবং সুবিধাবাদী মানুষের অবান্তর মন্তব্যের আর উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না, জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ৷
তিনি বলেন, “সহ- অভিনেত্রীদের প্রতি অনুপযুক্ত আচরণের অভিযোগ, প্রযোজক ও কলাকুশলীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র জুনিয়রদের তিরস্কার করা, পারিশ্রমিক নিয়েও শ্যুটিং সংক্রান্ত বিতর্ক—তার বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ, ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই শোনা যায়। তাই নীতি-নৈতিকতা নিয়ে জ্ঞানের বাণী সে নাহয় নাই বা দিল।”
সায়নী আরও বলেন, “২০২২ সালে তাঁকে ও তাঁর প্রাক্তন স্ত্রীকে উত্যক্ত করার ঘটনায় ৪ জন গ্রেফতার হয়েছিল এবং একজন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছিল—সেই খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রয়েছে। এই বিষয়ে আমার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকা সত্বেও যতটুকু সহযোগিতা করার করেছি। আসলে নিজেকে স্বঘোষিত সত্যজিৎ রায় ভাবার চাপটা বোধহয় মানসিক ভাবে এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে বাস্তবে মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা আর নিজের করা আত্মপ্রচারের সীমারেখাটা আজকাল গুলিয়ে যাচ্ছে।”
এই বিষয়ে যা বলার, “আমি ইতিমধ্যেই আমার সমাজমাধ্যমে যা জানার জানিয়েছি। তাই তাঁর তৈরি করা মধ্যরাতের মঞ্চ সাজিয়ে সস্তা নাটক, আত্মপ্রচারের মরিয়া চেষ্টা আর বাস্তববোধহীন অবান্তর কথাবার্তা, আর কিছুই না তার ডেসপারেশন এবং জব লেসনেস তুলে ধরে। পুরোটাই লুজ প্লট, সস্তার স্ক্রিপ্ট এবং খারাপ অভিনয়ের ওপর দিয়ে চলছে। যাইহোক, সবশেষে বলি, আমি আনন্দিত যে আমার দেওয়া গুরুত্বের ওপর ভর করে আরও কয়েক মুহূর্ত সে অন্তত সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রাসঙ্গিক থাকতে পারবে। একসময়ের সহ-অভিনেত্রী হিসেবে তার জন্য নাহয় এইটুকু করলামই।”
