
Lock Up Season 2-র তৃতীয় এপিসোডে অন্য দুই প্রতিযোগী শ্রেয়া কালরা এবং সুফি মোতিওয়ালাকে আকাঙ্খা বলেন, “যখন বিয়ে টিকেছিল, মাতৃত্বের অনুভূতি কখনও আসেনি। তবে ভাবনাচিন্তায় আপত্তি ছিল না, একেবারে রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়নি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে আমি বুঝতে পারি, ওসব আমার জন্য নয়। ওরও আপত্তি ছিল না। কিন্তু সময়ের সঙ্গে ওর অবস্থায় হয়ত বদলে গিয়েছে।” (Bollywood News)
আকাঙ্খা আরও বলেন, “এখন ও সন্তান চায়। আমি ওকে সন্তান দিতে পারব না। অনেক আগেই জানিয়ে দিয়েছিলাম। যখন বুঝেছিলাম, আমার জন্য ওসব নয়, বলে দিয়েছিলাম যে আমার দ্বারা হবে না। আলোচনাও হয়েছিল আমাদের মধ্যে যে ও চাইলে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যেতে পারে, সেটা যুক্তিসঙ্গতই।”
তবে গৌরবকে দোষারোপ করেননি আকাঙ্খা। তাঁর কথায়, “সত্যি কথা বলতে কী, ৯০ শতাংশ মানুষ হিয়ে করতেই চায় সন্তানের জন্য, পরিবার এগিয়ে নিয়ে যেতে। নইলে বিয়ের প্রয়োজন কী? ও ভুল নয়।” কিন্তু সম্পর্ক যে টেকার নয়, তা কখন বুঝলেন আকাঙ্খা? তাঁর বক্তব্য়, ‘বিগ বস থেকে বুঝলাম যে ওর সত্যিই চাই (সন্তান), আর আমি দিতে পারছি না। আমি ওই পরিস্থিতিতে দেখতে চাই না ওকে।”
আকাঙ্খা জানিয়েছেন, বেশ কিছু দিন ধরেই আলাদা থাকছেন তাঁরা। বিবাহবিচ্ছেদের দিকেও এগোচ্ছে তাঁরা। বিষয়টি সামনে আসতেই চর্চা শুরু হয়েছে নতুন করে। এর আগে, রিয়্যালিটি শো বিগ বস-১৯ চলাকালীন বিষয়টি প্রথম সামনে আসে। সেখানে গৌরব জানিয়েছিলেন যে, তাঁর স্ত্রী সন্তান নিতে আগ্রহী নয়। সেই সময় যদিও গৌরবকে কটাক্ষ শুনতে হয়েছিল। তিনি ‘ভিক্টিম’ সাজছেন বলে অভিযোগও ওঠে। একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য সকলের সামনে ফাঁস করে দেওয়া নিয়েও সমালোচনার শিকার হন তিনি।
বিগ বস-১৯ শেষ হওয়ার পর যদিও গৌরব জানিয়েছিলেন, স্ত্রী সন্তান না চাইলেও, তিনি স্ত্রীর পাশেই থাকবেন। তিনি পরিবার চান বটে, তবে স্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতেই হবে তাঁকে। গৌরব এবং আকাঙ্খা, দু’জনেই হিন্দি টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ। ২০১৬ সালের ২৬ নভেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা।
(Feed Source: abplive.com)
