
ব্রিস্টলে চতুর্থ টি-২০ ম্যাচে ৩৭ বল বাকি থাকতেই নয় উইকেটে ভারতকে দুরমুশ করল ইংল্যান্ড। সিরিজ় জয়ের আশা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল, এই পরাজয়ের ফলে ভারতের সিরিজ় হার নিশ্চিত হয়ে যায়। প্রথমবার ভারতীয় দল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ ওভারের ফর্ম্যাটে কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ়ে পরাজিত হল।
এদিন প্রথমে ব্যাটে নেমে গত ম্যাচের মতোই বেশ আগ্রাসী মেজাজে শুরু করে বৈভব। তবে সেই আবার আইপিএল সতীর্থ জোফ্রা আর্চারের শর্ট লেংথের বলে সে ১৫ রানে সাজঘরে ফেরে। বৈভবের ওপেনিং পার্টনার অভিষেক শর্মাও ১৬ রানের বেশি করতে পারেননি। জশ টাঙ চার রানে ঈশান কিষাণকে ফেরান। ৫০ রানের গণ্ডি পার করার আগেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত।
এমন পরিস্থিতিতে ভারতের হয়ে লড়াই শুরু করেন শ্রেয়স আইয়ার এবং তাঁকে সঙ্গ দেন শিবম দুবে। দুইজনে মিলে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপও গড়েন। তবে শিবম দুবেকে কখনই স্বভাবচিত ছন্দে দেখায়নি। ১০০-রও কম স্ট্রাইক রেটে নিজের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন তিনি। অপরপ্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকলেও শ্রেয়স লড়াই চালিয়ে যান। ৩৩ বলে অর্ধশতরান পূরণ করার পর ভারতীয় অধিনায়ক শেষমেশ ৮০ রানে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ব্যাটে ভর করেই ভারতীয় দল বোর্ডে ১৫৮ রান তোলে।
এই অল্প রানের পুঁজি নিয়ে ভারতীয় বোলারদের শুরুটা ভাল করার প্রয়োজন ছিল। অর্শদীপ সিংহও ঠিক আগের ম্যাচের মতো নতুন বলে ভাল বোলিং করেন, ইংল্যান্ডকে বেঁধে রাখেন, এমনকী জস বাটলারকেও মাত্র আট রানে সাজঘরে ফেরান। তবে এরপর কিছুই ভারতের পক্ষে যায়নি। এদিন নিজেকে তিন নম্বরে প্রমোট করে শুরু থেকেই চালিয়ে ব্যাটিং করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ২১ বলে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি। অপরপ্রান্তে ফিল সল্টও নিজের ভাল ফর্ম অব্যাহত রাখেন। তিনি অর্ধশতরান পূরণ করেন। এই দুইজনের সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ ভারত ভাঙতেই পারেনি। ফলত হেসেখেলে ১৪তম ওভারেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। ম্য়াচের সঙ্গে সঙ্গে জিতে নেয় সিরিজ়ও।
(Feed Source: abplive.com)
