)
ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েই ডুরান্ড অভিযান শুরু করল মোহনবাগান| ডার্বি জিতেই মরসুম শুরু সবুজ-মেরুনের
শুভপম সাহা: আইএসএল নিয়ে অল্প দোলাচলের মাঝেই শুরু হয়ে গেল ভারতীয় ফুটবলে নতুন মরসুম| শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ১৩৫তম ডুরান্ড কাপের পর্দা উঠল ডুরান্ড ডার্বি দিয়ে ওরফে কলকাতা ডার্বি| বাঙালির বিশ্বকাপের রেশ এখনও কাটেনি| দিন পাঁচেক আগেই হয়েছে স্পেন-আর্জেন্টিনা ফাইনাল| গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ দেখার পর কি আদৌ বাঙালি জৌলুসহীন ভারতীয় ফুটবল দেখতে মাঠমুখী হবে? এই ভাবনাতেই মাঠ ভরাতে, টুর্নামেন্টের আয়োজকরা উদ্বোধনী ম্যাচেই রেখেছিল ইস্টবেঙ্গল- মোহনবাগান মহারণ রেখেছিলেন| আর ১-০ গোলে জিতেই মরসুম শুরু করল সবুজ-মেরুন|
এদিনের বড় ম্যাচ নিয়ে বিগত কয়েকদিন সেভাবে চেনা উত্তেজনাও দেখা যায়নি| কলকাতার দুই প্রধান মুখোমুখি হলে যেমনটা দেখা যায় সচারচর| নিরুত্তাপ আবহে টিকিটেরও তেমন মারকাটারি চাহিদা ছিল না| কারণ দুই দলের সমর্থকরাই খুব ভালো ভাবে জানতেন যে, একেবারে ভাঙাচোরা দলই খেলতে চলেছে বড় ম্যাচে| প্রায় অপ্রস্তুত ইস্ট-মোহন ব্রিগেড| খাতায় -কলমে দুই দল প্রাক মরসুম প্রস্তুতি দু’সপ্তাহ আগে শুরু করলেও, দুই নতুন কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস ও আন্তোনিয়ো লোপেজ হাবাস দলের সঙ্গে হাতে গোনা কয়েকটি দিনই অনুশীলন করিয়েছেন| সেভাবে ফুটবলারদের শক্তি বা দুর্বলতা পরখ করার মতো সুযোগই পাননি| দুই দলের অধিকাংশ বিদেশিই এখনও আসেননি| দেখতে গেলে কোচের সঙ্গে ফুটবলারদের আলাপপর্বও অর্ধসমাপ্ত| এই পরিস্থিতিতে খেলা হল|
প্ৰথমার্ধের নিস্ফলা ৪৭ মিনিটে হাবাস এবং দিমপেরিসের শিষ্যদের কোনও গোলমুখী শটই ছিল না| বল পজেশনে যদিও খানিকটা এগিয়ে ছিল লাল-হলুদ| দুই দলই ‘অল ইন্ডিয়ান ইলেভেন’ খেলিয়েছিল| দুই দলই ডিফেন্স মজবুত করেই খেলে গিয়েছে| ইস্টবেঙ্গলের হয়ে সন্দীপ মান্ডি, রোহিত কুমার ও রোহিত দানু প্রথম বড় ম্যাচ খেললেন| নজর কাড়লেন সন্দীপ ও জয় গুপ্তা|মোহনবাগানের হয়ে ভালো খেলেছেন কিয়ান নাসিরি, শুভাশিস বোস|
দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন সাহাল আব্দুল সামাদ| কিয়ানের নিখুঁত কাটব্যাক থেকে মনবীরের ডামি থেকে সাহাল আলতো ছোঁয়ায় গোল করে সমর্থকদের আনন্দে ভাসিয়ে দেন| গোল হজম করেই হাবাস একসঙ্গে জোড়া বদল করেন| দুই রোহিতকে তুলে রশিদ ও বিষ্ণুকে নামান| ওদিকে দিলম্পেরিসও জোড়া বদল করেন| সাহাল ও নাসিরিকে তুলে টাংরি ও নতুন বিদেশি দেজান দ্রাজিচকে নামান| এরপর ৬৯ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল ডেভিডের জায়গায় রামিরেজকে নামায়| মোহনবাগান মনবীরের জায়গায় সুহেলকে নামায়| ৮২ মিনিটেও মোহনবাগান বদল করে| শুভাশিস ও লিস্টনকে তুলে রড্রিগেজ ও সায়নকে নামান| ইস্টবেঙ্গল একাধিক ফুটবলার বদল করলেও কাজের কাজটা করতে পারেনি তারা| শেষ ১০-১৫ মিনিটে রশিদরা খুব ভালো ফুটবল খেলেও অল্পের জন্য গোলের মুখ খুলতে ব্যর্থ হয়|
(Feed Source: zeenews.com)
