
Diabetes: ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ের যত্ন নিতে হয়। ডায়াবেটিক ফুট আলসার বার বার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যাঁদের বার বার সংক্রমণ হয়, তাঁদের ১০-৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে আঙুল, পায়ের কিছু অংশ অথবা পুরো পা কেটে ফেলার সম্ভাবনাও থাকে। যা বলছেন চিকিৎসক
ভারতে এখন এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে আগে যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসকে বয়স্কদের রোগ বলা হত, এখন তা ৩০–৪০ বছর বয়সিদের মধ্যেও দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে দেশে ১০ কোটিরও বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এছাড়া আরও প্রায় ১৩–১৪ কোটি মানুষ প্রিডায়াবেটিসে ভুগছেন, অর্থাৎ তাঁদের ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।
মণিপাল হাসপাতাল, ঢাকুরিয়ার কনসালট্যান্ট এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ডাঃ সোহম তরফদার জানান, ভারতীয়দের এত কম বয়সে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে জিনগত কারণ, কম শারীরিক পরিশ্রম, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার মতো অভ্যাস।
তবে ভারতীয়দের ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল ‘এশিয়ান ইন্ডিয়ান ফেনোটাইপ’। অর্থাৎ, অনেক ভারতীয়ের ওজন স্বাভাবিক থাকলেও শরীরের ভেতরে, বিশেষ করে লিভার ও পেশির চারপাশে চর্বি জমে যায়।
এই লুকিয়ে থাকা চর্বি এমন কিছু প্রদাহজনক রাসায়নিক ও ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে, যা ইনসুলিনের কাজকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে প্যানক্রিয়াস অনেক বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে থাকে। এই অবস্থা বছরের পর বছর চলতে পারে, অথচ কোনও লক্ষণ নাও দেখা দিতে পারে। একসময় অতিরিক্ত চাপের কারণে ইনসুলিন তৈরির বিটা কোষগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং তখনই কম বয়সেই টাইপ-২ ডায়াবেটিস ধরা পড়ে।
ডায়াবিটিসের থেকে ক্ষতিকর অসুখ খুব কমই আছে। ব্লাড সুগারে শুধু লিভার বা কিডনির সমস্যা নয়, ক্ষতি হয় পায়েরও! ‘ডায়াবেটিক ফুট আলসার’-এর ঝুঁকি থাকে। পা ঘেমে যাওয়া, লালচে ভাব, পায়ের চামড়া থেকে তরল পদার্থ বেরিয়ে আসা, পায়ে দুর্গন্ধের মতো লক্ষণ দেখা যায়।
পায়ের আলসারের অন্যতম কারণ হল ‘ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি’। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে তার প্রভাব পড়ে স্নায়ুর উপরেও। ক্রনিক ডায়াবিটিস রোগীদের পায়ের স্নায়ু নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ক্ষতি হয় পায়ের পেশি, হাড়, ত্বকের।পায়ের আলসারের অন্যতম কারণ হল ‘ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি’। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে তার প্রভাব পড়ে স্নায়ুর উপরেও। ক্রনিক ডায়াবিটিস রোগীদের পায়ের স্নায়ু নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ক্ষতি হয় পায়ের পেশি, হাড়, ত্বকের।
ফুট আলসারে কী কী হয়–পায়ে তীব্র যন্ত্রণা ও চামড়ার রং পরিবর্তন হতে পারে। পায়ের মাংস, লিগামেন্টে ক্ষত সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি পায়ের হাড়ে ক্ষত তৈরি হয়, নখ পচে যেতে পারে। সমস্যা বেড়ে গেলে পুরো পায়ের পাতায় পচন ধরতে পারে।
(Feed Source: news18.com)
