Headline
এখানে প্রকাশিত বেশ কিছু সংবাদ অন্য ভাষা থেকে বাংলায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে অনুদিত, তাই ভাষান্তরে বানান ও অন্যান্য ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনীয়।
ভরসা মায়ের পেনশনের ৫০০ টাকা! ডাক্তার হতে চলেছেন অভাবী সংসারের এই মেয়ে
ভরসা মায়ের পেনশনের ৫০০ টাকা! ডাক্তার হতে চলেছেন অভাবী সংসারের এই মেয়ে

তিনি নামে প্রেরণা। কাজেও সকলের প্রেরণা। প্রতিকূলতা জয় করে ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট বা এনইইটি-তে বাজিমাত করেছেন কোটার এই তরুণী। বছর চারেক আগে বাবাকে হারানোর পর তাঁর পরিবারে বিপর্যয় নেমে আসে। বিশাল আর্থিক বোঝার পাশাপাশি চেপে বসে আকাশছোঁয়া ঋণের ভার। ২৭ লক্ষ টাকা আর্থিক ঋণ শোধ করার সঙ্গে প্রেরণাকে ভাবতে হত তাঁর চার ভাইবোনকে নিয়েও। হাজারো প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে এনইইটি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন প্রেরণা। ঠিকই করেছিলেন, পথে যতই বাধাবিঘ্ন আসুক না কেন, তাঁকে সফল হতেই হবে। বাড়িভাড়া দিতে পারায় ছেড়ে…

Read More

ক্লাস সিক্সে ফেল! প্রশিক্ষণ ছাড়া প্রথম প্রচেষ্টায় UPSC-তে দ্বিতীয় হন রুক্মিণী
ক্লাস সিক্সে ফেল! প্রশিক্ষণ ছাড়া প্রথম প্রচেষ্টায় UPSC-তে দ্বিতীয় হন রুক্মিণী

রুক্মিণী রিয়ার হয়তো স্কুলের উজ্জ্বল পড়ুয়াদের মধ্যে এক জন ছিলেন না৷ তবে ইউপিএসসি পরীক্ষায় আইএএস হওয়ার দৌড়ে তিনি টেক্কা দিয়েছেন৷ দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন মেধাতালিকায়৷ দেশের কঠিনতম প্রবেশিকা পরীক্ষায় তিনি সফল হয়েছেন কোনও প্রথাগত প্রশিক্ষণ ছাড়াই৷ প্রথম প্রচেষ্টায় নিজে পড়াশোনা করে আইএএস হওয়ার দৌড়ে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছেন রুক্মিণী৷ স্কুলে কোনওদিনই সেরা ছাত্রীদের মধ্যে পড়তেন না রুক্মিণী৷ ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় অকৃতকার্যও হয়েছিলেন৷৷ প্রথমে তিনি পড়াশোনা করেছিলেন গুরুদাসপুরের স্কুলে৷ তার পর ডালহৌসিতে স্যাক্রেড হার্ট স্কুলে ভর্তি হন সেখান থেকে দ্বাদশ…

Read More

সোশ্যাল মিডিয়াকে বিদায় জানিয়ে ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার
সোশ্যাল মিডিয়াকে বিদায় জানিয়ে ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

ইন্ডিয়ান রেভেনিউ সার্ভিস-এর অফিসার আরুষি শর্মা সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ জনপ্রিয়। ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত পোস্ট করেন এই আইআরএস আধিকারিক। অথচ জীবনের একটা পর্ব পর্যন্ত তাঁর পথ চলা বয়ে চলেছিল সম্পূর্ণ অন্য খাতে। তিনি এগোচ্ছিলেন সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। আজ তিনি রাজস্ব বিভাগের দক্ষ অফিসার। মুক্তমনা পরিবারের মেয়ে আরুষি হাইস্কুল পরীক্ষা পাশ করার পর পড়াশোনা করছিলেন বিজ্ঞান শাখায়। বরাবরই তিনি মেধাবী। ভালবাসেন পড়াশোনা করতে। গোয়ার নামী প্রতিষ্ঠান ‘বিআইটিএস পিলানি’-তে সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছিলেন তিনি৷ কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পড়তেই নতুন স্বপ্ন বাসা বাঁধে আরুষির চোখে…

Read More

মিড ডে মিল রান্না করে একাই সন্তান প্রতিপালন মায়ের, ছেলে আজ সফল আইএএস অফিসার
মিড ডে মিল রান্না করে একাই সন্তান প্রতিপালন মায়ের, ছেলে আজ সফল আইএএস অফিসার

স্কুলে মিড ডে মিল রান্না করতেন মা। অনটন-সহ বহু প্রতিকূলতা এসেছে জীবনে চলার পথে। যত বন্ধুর হয়েছে পথ, তত শক্ত হয়েছে তাঁর চোয়াল। মা ঠিকই করেছিলেন, ছেলের স্বপ্নপূরণের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবেন। মায়ের সংগ্রামের মান রেখেছেন ছেলেও। ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হয়ে আজ ডোংরি রেভাইয়াহ একজন সফল আইএএস অফিসার। ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হওয়ার আগে আইআইটি-র প্রবেশিকা পরীক্ষাতেও তিনি সফল হন। কিন্তু টাকার অভাবে প্রায় আটকে যেতে বসেছিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার স্বপ্ন। সে সময় তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এক জেলাশাসক। তিনি টাকার…

Read More

জোম্যাটোতে ডেলিভারি বয় হিসেবে কাজ করতে করতেই সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সফল যুবক
জোম্যাটোতে ডেলিভারি বয় হিসেবে কাজ করতে করতেই সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সফল যুবক

চেন্নাই : কঠোর পরিশ্রম এবং মানসিক দৃঢ়তা থাকলে কোনও বাধা সাফল্যের পথে অন্তরায় হতে পারে না৷ বহু প্রচলিত সেই কথা আরও একবার প্রমাণ করলেন তামিলনাড়ুর বিঘ্নেশ৷ জোম্যাটোতে ডেলিভারি বয় হিসেবে চাকরি করে তিনি সফল হলেন সরকারি চাকরির পরীক্ষায়৷ তামিলনাড়ু পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি এ বার সরকারি কর্মী হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন৷ বিঘ্নেশের সাফল্যের খবরে উচ্ছ্বসিত জোম্যাটো-ও৷ পরিবারের সঙ্গে তাঁর ছবি শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে৷ জোম্যাটো লিখেছে, ‘‘বিঘ্নেশকে কুর্নিশ জানান৷ সবে মাত্র তামিলনাড়ু…

Read More

কৈশোরেই বিয়ে ও সন্তান, কৃষিমজুরের কাজ করে কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি সম্পূর্ণ তরুণীর
কৈশোরেই বিয়ে ও সন্তান, কৃষিমজুরের কাজ করে কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি সম্পূর্ণ তরুণীর

কৃষি শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে করতেই রসায়নে গবেষণা সম্পূর্ণ করলেন সাকে ভারতী৷ অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলায় নাগুলাগুড়ম গ্রামের এই বাসিন্দা তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তাঁর দৃঢ়তা এবং পরিশ্রমে৷ দরিদ্র পরিবারের এই সন্তানের সামনে আশৈশব শিক্ষার সুযোগ ও পরিসর ছিল কম৷ তিন সন্তানের মধ্যে সবথেকে বড় সাকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়েছেন স্কুলে৷ এর পরই অভাবী সংসারের এই কন্যাসন্তানের বিয়ে হয়ে যায় তাঁর মামার সঙ্গে৷ যা তাঁদের সংস্কৃতিতে খুবই পরিচিত রীতি৷ বিয়ের পর কিছু বছরের মধ্যেই মা হলেন এই তরুণী৷ কিন্তু বিবাহিত জীবনে…

Read More

স্কুলে মিড ডে মিল রাঁধেন মা, আইআইটি পেরিয়ে দরিদ্র, পিতৃহীন যুবক আজ আইএএস অফিসার
স্কুলে মিড ডে মিল রাঁধেন মা, আইআইটি পেরিয়ে দরিদ্র, পিতৃহীন যুবক আজ আইএএস অফিসার

জীবনের প্রতিবন্ধকতাকে মনের জোরে সরিয়ে বন্ধু পথকে মসৃণ করে তুলেছেন ডোংরে রেভাইয়াহ। মিড ডে মিল রাঁধুনির সন্তান ডোংরে আজ সফল আইএএস অফিসার। তাঁর যাত্রাপথ পরবর্তী প্রজন্মের কাছে প্রেরণা। কঠিন চ্যালেঞ্জের পথ পেরিয়ে ২০২২ সালে আইএএস অফিসার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি। যাঁরা দারিদ্রকে সঙ্গী করে জীবন কাটান, তাঁদের জন্য আদর্শ এই তরুণ তুর্কীর দৃঢ়তা। স্বামীর মৃত্যুর পর অকূল পাথারে পড়েন ডোংরের মা। অন্নসংস্থানের জন্য কাজ নেন তেলেঙ্গানার এক সরকারি স্কুলে। দারিদ্রের মুখোমুখি হয়ে সংসার চালাতে জেরবার হয়ে যেতেন তিনি।…

Read More

দিনে কাজ, রাতে পড়া, NEET-এ বাজিমাত করে ডাক্তার হওয়ার পথে কাশ্মীরের দিনমজুর
দিনে কাজ, রাতে পড়া, NEET-এ বাজিমাত করে ডাক্তার হওয়ার পথে কাশ্মীরের দিনমজুর

পুলওয়ামা : স্বপ্নের উড়ানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি দিনমজুরের কাজ। কঠোর পরিশ্রমের পর ১৯ বছরের কিশোর আজ অনেকটা ধাপ পেরিয়ে গেলেন ডাক্তার হওয়ার পথে। বহু প্রতিকূলতা পেরিয়ে কাশ্মীরের পুলওয়ামার উমর আহমেদ গনাই National Eligibility cum Entrance Test (NEET) পরীক্ষায় ৬০১ পেয়েছেন। সংসারের হাল ধরতে উমর পাশের গ্রামে গিয়েছিলেন ছবি আঁকার কাজ করতে। সেখানেই খবর পৌঁছয় তাঁর সাফল্যের। তাঁর বাড়িতে এখন উপচে পড়েছ শুভার্থীদের ভিড়। ফুলের মালায় বরণ করে নেওয়া হয়েছে তাঁকে। আনন্দে পড়শিদের মিষ্টিমুখ করিয়েছেন উমরের পরিজনরা। গত দু…

Read More

রিকশচালক থেকে স্টার্ট আপ মালিক, আইআইটি এবং আইআইএম উত্তীর্ণদের চাকরি দেন কোটিপতি
রিকশচালক থেকে স্টার্ট আপ মালিক, আইআইটি এবং আইআইএম উত্তীর্ণদের চাকরি দেন কোটিপতি

পটনা : জীবনে বাধা বিঘ্ন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, হতাশা যথেষ্ট। বন্ধুরতার এই তিক্ততা এবং খারাপ সময়ের অভিজ্ঞতা থেকেই মানুষের জীবনে শিক্ষণীয় কিছু আসে। ভুল থেকে শিখতে পারে। তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ দিলখুশ কুমার। তিনি ছিলেন বিহারের এক রিকশাচালক। প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে তিনি এখন স্টার্ট আপের মালিক। তাঁর স্টার্ট আপের উদ্যোগে তিনি গ্রাহকদের সঙ্গে ট্যাক্সিচালকদের যোগাযোগ করিয়ে দেন। ৫০ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করার ক্ষেত্রে এই স্টার্ট আপ কাজ করে। এই স্টার্ট আপ-এর লক্ষ্য বিহারের প্রত্যেক গ্রামকে ট্যাক্সির পরিষেবার আওতায় আনা। যাতে শহরকে সহজেই…

Read More