
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এই বছরের শুরুতেই পেয়েছিলেন পদ্মভূষণ। সোমবার তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘কিংবদন্তি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর আইকনিক অবদানের জন্য দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত করা হবে’। এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। মিঠুনের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া টলিপাড়ায়।
দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় মিঠুন বলেন, ‘কখনও ভাবিনি ফুটপাতের একটা ছেলে এত বড় সম্মান পাবে। আমি কলকাতার অন্ধ গলি, সেখান থেকে উঠে এসেছি। মুম্বইয়ের রাস্তার ফুটপাতে থেকেছি। কখনও কল্পনা করতে পারিনি, এতবড় একটা সম্মান পাব। বিশ্বাস করুন, আমি আক্ষরিক অর্থেই হতবাক। আমি হাসতেও পাচ্ছি না, কাঁদতেও পাচ্ছি না। এমন একটা সম্মান দিলে কে কী বলবে, কেউই কিছু বলতে পারে না। আমি এই পুরস্কার আমার পরিবার ও বিশ্বজুড়ে থাকা আমার অগণিত ভক্তকে উৎসর্গ করছি। আমি শুধু আমার সেই অনুরাগীদের বলতে চাই, যাঁরা এক্কেবারেই আর্থিকভাবে শক্তিশালী নয়, যে আমি যদি এখানে পৌঁছতে পারি, তাহলে আপনারাও পারবেন।’
ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন, ‘এই সম্মান মিঠুনদার প্রাপ্য। আমরা সবাই ওঁর থেকে অনুপ্রেরণা পায়। উনি ভারতবর্ষের গর্ব। এত অসাধারণ অসাধারণ কাজ করে গেছেন তা অসাধারণ। সম্প্রতি কাবুলিওয়ালা দেখে আমি কেঁদে ফেলেছিলাম। দাদাকে ফোন করেছিলাম। দাদার সঙ্গে হিন্দিতে ও বাংলায় কাজ করেছি। দাদা সবসময় গাইড করেছেন। আমি দাদার স্নেহধন্যা। ওঁর ভালোবাসা আমার কাছে দামি আশীর্বাদ’।
প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমি ব্যক্তিগত ভাবে এই মানুষটার বিশাল বড় ফ্যান। যে ডিস্কো ডান্সার থেকে তাহাদের কথা করতে পারে সে তো আমার কাছে অনুপ্রেরণা। আক্ষরিক অর্থে এই সম্মান পাওয়ার যোগ্য মিঠুনদা। এত বছর ধরে নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের যে জায়গাটা তৈরি করেছেন আমরা গর্বিত। দেশের অন্যতম সেরা অভিনেতা তিনি। এত বছরেও মিঠুনদা থামেননি। গুরু দেখার সময় রীতিমতো কেঁদে ফেলেছিলাম। দাদাকে আমার প্রণাম। এই মুহূর্তটাকে আমাদের সকলের উদযাপন করা উচিত।”
মৃগয়া ছবির হাত ধরে সিনেমা জগতে পা রাখেন মিঠুন চক্রবর্তী। সেই ছবিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন মমতা শংকর। মেগাস্টারের দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পাওয়ার খবর জানতেই তিনি বলেন যে এটা বড় প্রাপ্তি মৃগয়ার। এই পুরস্কার মৃগয়াকেই ডেডিকেট করা। সেই কথা শুনে মিঠুন বলেন, ‘মমতা নিজেই একজন ফ্যান্টাস্টিক অভিনেতা। তাই এত হাম্বেল।’
দীর্ঘদিন পর দেবশ্রী রায়ের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। পুজোয় মুক্তি পেতে চলেছে শাস্ত্রী। তিনিও আনন্দিত। তিনি জানান যে অন্যান্য অভিনেতাদের তুলনায় মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে অভিনয় করা বিশেষ। সেই প্রতিক্রিয়া শুনে মিঠুন বলেন, ‘দেবশ্রী রায়ের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক। ওকে রাগিয়ে দিলেই ও গালাগালি করে’, মজা করেই বললেন মিঠুন চক্রবর্তী।
(Feed Source: zeenews.com)
