
Uric Acid: ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধিকারী সবজির মধ্যে অন্যতম পালং শাক। সবুজ শাকসবজি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভাল। কিন্তু পালং শাকে পিউরিনের পরিমাণ বেশি। ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিরা পালং শাক খেলে জয়েন্টে ব্যথা বাড়ে।
আজকাল অনেকেই ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগছেন। রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেলে, জয়েন্টে ব্যথা এবং ফোলাভাব দেখা দেয়। একে ‘গাউট’ বলা হয়। আমরা সাধারণত স্বাস্থ্যকর বলে মনে করি এমন কিছু সবজিও এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। আসুন এখানে সেই সবজি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। প্রতীকী ছবি।
ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধির প্রধান কারণ পিউরিন। এগুলি প্রাকৃতিকভাবে কিছু খাবারে পাওয়া রাসায়নিক। যখন শরীর এই পিউরিনগুলিকে ভেঙে ফেলে, তখন ইউরিক অ্যাসিড উপজাত হিসাবে নির্গত হয়। যখন কিডনি এটি ফিল্টার করতে পারে না, তখন শরীরে বর্জ্য জমা হয়।
ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধিকারী সবজির মধ্যে অন্যতম পালং শাক। সবুজ শাকসবজি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভাল। কিন্তু পালং শাকে পিউরিনের পরিমাণ বেশি। ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিরা পালং শাক খেলে জয়েন্টে ব্যথা বৃদ্ধি পেতে পারে।
মাশরুম: যদিও মাশরুমে প্রোটিন বেশি থাকে, তবে এতে পিউরিনের মাত্রাও বেশি থাকে। ঘন ঘন খেলে রক্তে দ্রুত ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি পেতে পারে।
ফুলপি: এই সবজিটি, যা অনেকেই খায়, এতে পিউরিনের পরিমাণ মাঝারি পরিমাণে থাকে। যাদের ইতিমধ্যেই ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি তাদের জন্য ফুলকপি থেকে দূরে থাকা ভাল।
সবুজ মটরশুঁটি: সবুজ মটরশুঁটি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকেও প্রভাবিত করে। এগুলি শরীরে পিউরিনের পরিমাণ বাড়ায় এবং ব্যথার কারণ হয়।
ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে, আপনার কেবল শাকসবজি খাওয়া উচিত নয়, অন্যান্য খাদ্যাভ্যাসও পরিবর্তন করা উচিত।
প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন: দিনে কমপক্ষে ৩-৪ লিটার জল পান করলে কিডনি সহজেই বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়।
সাইট্রাস ফল: লেবু এবং আমলকির মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজনও এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
সমস্যা তীব্র হলে, স্ব-ওষুধ খাওয়ার চেয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা এবং রক্ত পরীক্ষা করা ভাল। সঠিক খাদ্যাভ্যাসের নিয়ম মেনে চললে, আপনি জয়েন্টের ব্যথা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পেতে পারেন।
(Feed Source: news18.com)
